নজরবন্দি ব্যুরোঃ জঙ্গলমহলের আদিবাসী পরিবারের পাশে দাঁড়ালো বিজিটিএ। বৃহত্তর গ্র্যাজুয়েট টীচার্স অ্যাসোসিয়েশন বা বিজিটিএ রাজ্যের একটি রেজিস্টার্ড অরাজনৈতিক স্নাতক শিক্ষক সংগঠন। স্নাতক শিক্ষকদের দীর্ঘ দু দশকের দাবী “টিজিটি” স্কেল, যেটা একমাত্র পশ্চিমবঙ্গ ব্যতীত বাকি সব রাজ্য ও কেন্দ্র সরকার গ্র্যাজুয়েট শিক্ষকদের দিয়ে থাকে বলে অভিযোগ। এই ব্যাপারে বিজিটিএ এর মামলার প্রেক্ষিতে মহামান্য কলকাতা হাইকোর্ট গ্র্যাজুয়েট শিক্ষকদের দাবীকে মান্যতা দিয়ে “রীট অফ ম্যান্ডামাস” জারি করেছে।
আরও পড়ুনঃ করোনা আক্রান্ত কর্ণাটকের মুখ্যমন্ত্রী ইয়েদুরাপ্পা।


যদিও বিজিটিএ জানিয়েছে, সরকার তাঁদের দাবী না মানায় শিক্ষক সংগঠনটি ফের পে-কমিশনের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার মামলা দায়ের করে। এই মামলাটি চলাকালিন লক ডাউন শুরু হয়।
বিজিটিএ-র পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, “আমাদের দীর্ঘদিনের বেতন বঞ্চনা সত্বেও আমরা এই কোভিড পরিস্থিতিতে ঘরে বসে থাকি নি। আমরা করোনা ফান্ড গড়েছি। সেই ফান্ড থেকে ৫ লক্ষ টাকা মন্ত্রী শ্রী মলয় ঘটকের মাধ্যমে মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে দান করেছি। ২ লক্ষ টাকা প্রধান মন্ত্রীর পি এম কেয়ার তহবিলে দান করেছি। বাকি টাকা জেলাগুলির মাধ্যমে সরাসরি জনগণের কাজে লাগানোর কর্মসূচী নেওয়া হয়েছে। এই কর্মসূচীর শরিক হয়েছে বাঁকুড়া জেলা বিজিটিএ।”
জঙ্গলমহলের আদিবাসী পরিবারের পাশে দাঁড়ালো বিজিটিএ

বিজিটিএ বাঁকুড়া জেলার পক্ষ থেকে সিমলাপাল ব্লকের মেমোলি গ্রামের প্রায় পঞ্চাশ জন আদিবাসী পরিবার গুলিকে ত্রাণ সামগ্রী তুলে দেওয়া হয়। উপস্থিত ছিলেন বাঁকুড়া জেলা বিজিটিএ সম্পাদক অভিজিৎ দাস সহ রামস্বরূপ নায়ক, বিকাশ পান, অশোক গরাই, অয়ন দাস, বিদ্যুৎ পত্র প্রমুখ জেলা সদস্য।


সংগঠন এর রাজ্য সম্পাদক সৌরেন ভট্টাচার্য জানান- “বিজিটিএ এক অনন্য শিক্ষক সংগঠন যা মানবিকতার পাশাপাশি গ্র্যাজুয়েট শিক্ষকদের দাবি আদায়ে দৃঢ় ভাবে সংগ্রাম করে চলেছে। আমরা মুখ্যমন্ত্রীকে আবেদন করছি আমাদের সমস্যার সমাধান করার জন্য।








