নজরবন্দি ব্যুরো: নবগ্রামে তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতি খুন, বনধের ডাক তৃণমূলের। পঞ্চায়েতে মনোনয়ন দাখিল পর্ব শেষ হতেই ফের একবার রক্তে ভেসে গেল মুর্শিদাবাদ। অভিযোগ উঠছে, নবগ্রামে তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতিকে বেধড়ক মারধরের পর গুলি করে খুন করা হয়। কংগ্রেসের বিরুদ্ধে খুনের অভিযোগ। প্রতিবাদে আজ নবগ্রাম বনধের ডাক তৃণমূলের। যদিও খুনের অভিযোগ অস্বীকার করেছে কংগ্রেস।
আরও পড়ুন:সাধারণ মানুষ অন্তত একটা মানুষে পাশে পাবে! রাজ্যপালের প্রশংসায় দিলীপ
মনোনয়ন পর্বের শুরুতেই মুর্শিদাবাদের খড়গ্রামেই খুন হন কংগ্রেস কর্মী ফুলচাদ শেখ। অভিযোগ ওঠে এই খুনের সঙ্গে তৃণমূল জড়িত। তবে শাসক শিবির থেকে এই অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে। এই ঘটনায় পুলিশ ৩ জনকে আটক করেছে। ইতিমধ্যেই ওই তিনজনের মধ্যে ২ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার প্রথম দিনই কংগ্রেস কর্মীর খুনের ঘটনায় রাজ্য রাজনীতিতে আলোড়ন ছড়ায়।

প্রসঙ্গত, কংগ্রেস কর্মীকে খুনের ঘটনায় গভীর রাতে তিনজনকে আটক করে পুলিশ। তারপরেই তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করার পর ২ জনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। ঘটনায় অভিযুক্ত হিসাবে ইমরান বলে একজনের নাম উঠে এসেছে। তবে মৃতের স্ত্রীর বক্তব্য, তাঁর স্বামী কোনও রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না। তবে পরিবারের অভিযোগ, ফুলচাঁদ কংগ্রেস করতেন। তাঁদের পরিবারের সকলেই কংগ্রেস করেন। তৃণমূলের কর্মীরাই গুলি চালিয়েছে।

বাঁশ, লাঠি, লোহার রড নিয়ে এলোপাথাড়ি হামলা চালানো হয়। এরপরেই রক্তাক্ত অবস্থায় কংগ্রেস কর্মী মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। দুষ্কৃতীরা কংগ্রেস কর্মীর ওপর গুলি চালায়। এলোপাথাড়ি গুলিতে জখম হন বেশ কয়েকজন। স্থানীয় বাসিন্দারা ছুটে এলে দুষ্কৃতীরা পালিয়ে যায়।
নবগ্রামে তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতি খুন,বনধের ডাক শাসক দলের

অন্যদিকে, চোপড়াতে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী তৃণমূল, কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ কংগ্রেস। পঞ্চায়েত ভোটে মনোনয়নের প্রক্রিয়া শেষ হতে না হতেই রাজ্যে একাধিক জায়গায় বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী তৃণমূল। চোপড়ার ৮ টি গ্রাম পঞ্চায়েতের মোট ২১৭ টি আসনের একটিতেও প্রার্থী দিতে পারেনি বিরোধীরা। ফলত জয়ী শাসকদল। কার্যত বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জিতল শাসক দল। যদিও রাজ্য নির্বাচন কমিশন আনুষ্ঠানিকভাবে এখনও এই নিয়ে কিছুই ঘোষণা করেনি। এখন মনোনয়ন প্রত্যাহার পর্বের প্রক্রিয়া চলছে। তাই আগেভাগা বিজয় উৎসবে রাজি নয় স্থানীয় নেতৃত্ব।



