নজরবন্দি ব্যুরোঃ আবারও বিতর্কে বিশ্বভারতী। নির্ধারিত সময়ে না-হলেও অকাল বসন্তোৎসবকে ঘিরে ফের বিতর্কে রাজ্যের একমাত্র কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় বিশ্বভারতী। বসন্ত ঋতু নয়, চৈত্রের শেষে অকাল বসন্তোৎসব করে সমালোচনার মুখে বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষ। এই বসন্ত বন্দনা অনুষ্ঠানে স্থানীয় বাসিন্দা থেকে শুরু করে পর্যটক এমনকী সংবাদমাধ্যমের কর্মীদেরও প্রবেশাধিকারে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে।
আরও পড়ুনঃ সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ কেজরির ডেপুটি, সিবিআইয়ের সঙ্গে আইনি টানাপোড়েন



সোমবার অনুষ্ঠানের সূচি প্রকাশ করে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকাশিত সূচি অনুযায়ী আগামী ২ মার্চ অর্থাৎ বৃহস্পতিবার থেকে শুরু ‘বসন্ত বন্দনা’। ওইদিন সন্ধে সাড়ে ৬টায় লোক-সংস্কৃতি অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ‘বসন্ত বন্দনা’র সূচনা। রাত ৯টায় বৈতালিক। পরদিন ভোর ৫টায় গৌরপ্রাঙ্গণে বৈতালিক।



সকাল ৭টায় শোভাযাত্রা ও অনুষ্ঠান। সন্ধে সাতটায় পরিবেশিত হবে নৃত্যনাট্য ‘মায়ার খেলা’। ৭ মার্চ অর্থাৎ দোলের দিন গৌরপ্রাঙ্গণে পূর্ণদাস বাউলের গান দিয়ে শেষ হবে ‘বসন্ত বন্দনা’। উল্লেখ্য, তিন বছর ধরে বসন্তোৎসব পালন করেনি বিশ্বভারতী। যদিও এবছর বসন্তোৎসব করতে না-পারার দায় ছাত্র আন্দোলনের উপর চাপিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
অকাল বসন্তোৎসব এবার বিশ্বভারতীতে, অনুষ্ঠানের সূচি প্রকাশ কর্তৃপক্ষের

সব মিলিয়ে আবারও শান্তিনিকেতনে বসন্তোৎসবকে ঘিরে শুরু হয়েছে নতুন করে বিতর্ক। দোলের দিন বসন্তোৎসবকে কেন্দ্র করে বছর তিনেক আগে চূড়ান্ত বিশৃঙ্খলা হয়েছিল। তারপর থেকেই বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষ এই উৎসব বন্ধ করে দেয়।








