বাংলাদেশের পরিস্থিতি নিয়ে ফের একবার বিতর্কিত প্রশ্ন তুললেন নির্বাসিত লেখিকা তসলিমা নাসরিন। সম্প্রতি বাংলাদেশের সিরাজগঞ্জে একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠানে মৌলবাদীদের হাতে অত্যাধুনিক স্বয়ংক্রিয় আগ্নেয়াস্ত্র দেখা যাওয়ায় নতুন করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। সেই ছবিই সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে তসলিমা প্রশ্ন তুলেছেন, “বাংলাদেশি জিহাদিরা কি নিরস্ত্রীকরণ হবে না?”
তসলিমার পোস্টে সরাসরি ইউনূস সরকারের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। অভিযোগ, বাংলাদেশে মৌলবাদীরা দিন দিন মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে, কিন্তু প্রশাসন নীরব।
জানা গিয়েছে, সিরাজগঞ্জে সম্প্রতি একটি ধর্মীয় সভায় উপস্থিত ছিলেন রাসূল (সা)-এর ৪৩তম বংশধর বলে পরিচয় দেওয়া শায়েখ নাসির বিল্লাহ আল মক্কী। আশ্চর্যের বিষয়, ওই ধর্মগুরু কোনও সরকারি অনুমতি ছাড়াই হেলিকপ্টারে করে সিরাজগঞ্জে আসেন। সভার মধ্যেই একজনের হাতে স্বয়ংক্রিয় আগ্নেয়াস্ত্র দেখা যায়। সাধারণত এমন অস্ত্র শুধুমাত্র জঙ্গি সংগঠনের কাছেই থাকে। সেই অস্ত্র কীভাবে আমজনতার হাতে এল, তা নিয়েই উঠছে প্রশ্ন।
ছবি পোস্ট করে তসলিমা নাসরিন সরাসরি ইউনূস-আসিফ সরকারের বিরুদ্ধে আক্রমণ শানিয়েছেন। তিনি লেখেন, “মৌলবাদীদের হাতে অস্ত্র কীভাবে পৌঁছাচ্ছে? সরকার কি তাদের নিরস্ত্রীকরণের কথা ভাববে না?” এই ঘটনা সামনে আসতেই বাংলাদেশের রাজনৈতিক মহলে তোলপাড় শুরু হয়েছে। সাধারণ মানুষের মধ্যেও নিরাপত্তা নিয়ে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
ধর্মগুরু নাসির বিল্লাহ আল মক্কীর আগমনে প্রশাসনের কোনও হস্তক্ষেপ ছিল না, যা পরিস্থিতিকে আরও বিতর্কিত করে তুলেছে। বিশ্লেষকদের মতে, এমন ঘটনা দেশের নিরাপত্তার জন্য বড় বিপদ সংকেত। বাংলাদেশের সাম্প্রতিক পরিস্থিতি এবং মৌলবাদীদের দাপট নিয়ে যেভাবে প্রশ্ন উঠছে, তা প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে সন্দেহ আরও ঘনীভূত করেছে।




