লোকসভা নির্বাচনের আগেই দেশজুড়ে সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন (CAA) কার্যকরের সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্র সরকার। ১১ মার্চ একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে সে কথা জানিয়েছে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। ইতিমধ্যেই সিএএ কার্যকর করা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে শোরগোল। এবার সংশোধিত নাগরিকত্ব আইনের বিরোধিতায় সরব বাংলা পক্ষ।
আরও পড়ুন: লোকসভায় মেঘালয়ে প্রার্থী দিল তৃণমূল, টিকিট পেলেন কে?
বাংলা পক্ষ-র সাংগঠনিক সম্পাদক কৌশিক মাইতি বলেছেন, “এই সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন হিন্দু বাঙালির মারণফাঁদ। নাগরিকত্ব দেবার নাম করে অবৈধ অনুপ্রবেশকারী হিসাবে দাগিয়ে দেবার আইন। যে সমস্ত কাগজ নাগরিকত্বের জন্য চাওয়া হয়েছে তা একজন শরাণার্থী যিনি এক কাপড়ে দেশান্তরী হয়েছেন তাঁর পক্ষে কীভাবে দেওয়া সম্ভব? এই আইন সম্পূর্ণ ভাঁওতা। বাংলা পক্ষ এই আইনের বিরোধিতা জানায়।”

২০১৯ সালে দ্বিতীয়বারের জন্য দেশের ক্ষমতায় এসেই সিএএ (CAA) কার্যকর করার কথা ঘোষণা করে বিজেপি সরকার। সংসদে পাশ হয় বিলও। কিন্তু মাঝে এতগুলো বছর কেটে গেলেও সেই বিলকে আইনে কার্যকর করতে পারেনি কেন্দ্র সরকার। যার মূল কারণ, বিরোধীতা। দেশের তাবড় তাবড় রাজনৈতিক থেকে শুরু করে বুদ্ধিজীবী প্রত্যেকেই সমালোচনা করেন এই বিলের। পথে নেমে প্রতিবাদ করে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়ারা।

‘হিন্দু বাঙালির মারণফাঁদ’, CAA বিরোধিতায় সরব বাংলা পক্ষ
সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন (CAA) কী বলে? বাংলাদেশ, পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের মতো মুসলিম ধর্মাবলম্বী দেশ থেকে যদি সে দেশের ধর্মীয় সংখ্যালঘুরা ধর্মীয় উৎপীড়নের কারণে ভারতে আশ্রয় নিতে চান তা হলে তা দেবে কেন্দ্র সরকার। কিন্তু কেবল ৬টি সম্প্রদায় হিন্দু, শিখ, জৈন,পার্সি, বৌদ্ধ এবং খ্রীস্টান সম্প্রদায়ের শরণার্থীরাই পাবেন এই নয়া নাগরিকত্ব।




