নজরবন্দি ব্যুরোঃ ছট পুজোর জমায়েতে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে রাজ্য সরকারের কাছে আবেদনপত্র জমা দিয়েছে বাংলা পক্ষ। বাংলায় করোনা আবহে যাতে সংক্রমণ না ছড়ায় সেই জন্য তারা দাবি জানিয়েছে যে বাংলার সব ঘাট ও পুকুরকে “নো এন্ট্রি” এলাকা ঘোষণা করা হোক। পাশাপাশি তারা তুলে ধরেছে কিভাবে বাঙালিরা দুর্গা পুজোর সময় আদালতের নির্দেশ ও প্রশাসনের নিয়ম অনুযায়ী উৎসব পালন করেছেন।
আরও পড়ুনঃ ভরা সভায় নীতিশকে লক্ষ্য করে উড়ে এল পচা পেঁয়াজ।


উল্লেখ্য, নভেম্বরের ২০ ও ২১ তারিখে ছট পুজো। গতকাল ভারতীয় যুক্তরাষ্ট্রের উচ্চ আদালত পরিবেশ আদালত নির্দেশকে বহাল রেখে রবীন্দ্র সরোবরে ছট পুজো পালন করাকে পুরোপুরি বন্ধ রাখতে বলেছেন। নভেম্বর মাসের ১৬ তারিখে সর্বোচ্চ আদালত তাদের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ঘোষণা করবেন।
ছট পুজোর জমায়েতে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে রাজ্য সরকারের দ্বারস্থ বাংলা পক্ষ। সংগঠনের দাবি, যেভাবে দুর্গাপূজার সময় মণ্ডপে মণ্ডপে নো এন্ট্রি জোন তৈরি করা হয়েছিল, একই নিয়ম যেন ছট পুজোর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হয়। বাঙালির পয়লা বৈশাখ, চড়ক পূজা, ও দুর্গোৎসব কে ঘিরে যে করোনা সংক্রমনের যুক্তিতে যেভাবে লোকসমাগম নিষিদ্ধ করা হয়েছিল, ছট পুজোর জন্যেও যেন তা নিষিদ্ধ করা হয়। পাশাপাশি তারা উল্লেখ করেছেন কিভাবে সরকারি সম্পত্তি বিনষ্ট করা হয়েছিল গতবছর ছট পুজোর সময়।
রবীন্দ্র সরোবরের গেটে তালা ভেঙে জোর করে ঢোকার ছবি আজও পরিবেশ প্রেমীদের মনে আতঙ্ক সৃষ্টি করে। বাঙালিরা যেমন নিয়ম মেনে তাদের আচার-অনুষ্ঠান পালন করতে পারেন, ভিন রাজ্য থেকে আসা বহিরাগতরা সেইভাবে চলতে পারেন না। আবেদনপত্রে বাংলা পক্ষর স্পষ্ট দাবি যে উক্ত পরিস্থিতি মাথায় রেখে যেন রাজ্য সরকার বাংলার সমস্ত ঘাট এবং জলাশয় কে ছট পুজোর কয়েক দিনের জন্য নো এন্ট্রি জোন হিসেবে ঘোষণা করে।


দুর্গাপুজোর সময় লোকসমাগম বন্ধ করতে বিশিষ্ট আইনজীবী বিকাশ রঞ্জন ভট্টাচার্য যে তৎপরতা দেখিয়েছিলেন, সেই একই উৎসাহ তার কাছে ছট পুজোর ক্ষেত্রেও আশা করছে বাংলা পক্ষ। এই নিয়ে তার কাছে কয়েকদিন আগে সংগঠনের তরফ থেকে চিঠি পাঠানো হয়। বিকাশবাবু যদি ছট এর ক্ষেত্রে আদালতের সামনে মামলা লড়তে রাজি না হন, তাহলে সংগঠনের নিজস্ব আইনজীবীরা ছোট জমায়েতে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে আদালতের দ্বারস্থ হবে। একটি প্রেস রিলিজের মাধ্যমে বাংলা পক্ষর তরফ থেকে এই খবরটি জানানো হয়েছে।







