নজরবন্দি ব্যুরোঃ ববি-শোভনদের জামিন খারিজ হাইকোর্টে, নারদ কান্ডে নয়া মোড়,নিম্ন আদালতে জামিনে স্থগিতাদেশ ৪ জনের। আগামী বুধবার পর্যন্ত জেলে থাকত হবে সুব্রত-ফিরহাদ-শোভন এবং মদন মিত্রকে। সারাদিন ধরেই পরতে পরতে ভোল বদলেছে আজকের ঘটনা। সন্ধ্যে নাগাদ ৪ জনকেই জামিন দেওয়া হলেও কয়েকঘন্টার ব্যবধানে ফের অন্য মোড় নিল ঘটনা।
আরও পড়ুনঃ শিয়রে শনি হেভিওয়েটদের, গুয়াহাটি বা ভুবনেশ্বরে নারদা তদন্ত সরাচ্ছে সিবিআই!


সিবিআই সোমবার সকালে রাজ্যের ২ মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম, সুব্রত মুখোপাধ্যায় এবং দুই প্রাক্তন মন্ত্রী মদন মিত্র ও শোভন চট্টোপাধ্যায়কে গ্রেফতার করে। দলের নেতাদের গ্রেফতারিতে ক্ষুব্ধ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরাসরি ধর্ণায় বসেন একেবারে নিজাম প্যালেসের অন্দরে। পরে চার জনের জামিনের খবর পাকা করে ধর্না তোলেন মমতা!
কিন্তু রাত গড়াতেই মামলার জলও গড়াল অন্যদিকে। সন্ধ্যেতেই সিবিআই আদালত জামিনে মুক্তির নির্দেশ দেওয়ার পরেও ওই চার নেতাকে মুক্তি দেয়নি CBI, এ নিয়ে বারবার অভিযোগ করছিলেন ফিরহাদ কন্যাও। ফিরহাদদের আইনজীবী অনিন্দ্য রাউত অভিযোগ করেছিলেন , বিশেষ সিবিআই আদালত ৫০ হাজার টাকার ব্যক্তিগত বন্ডে অন্তর্বর্তী জামিনের আবেদন মঞ্জুর করা সত্ত্বেও মুক্তি না দিয়ে আদালত অবমাননা করেছে সিবিআই। ওই চার জনকে নিজাম প্যালেসে রেখেই CBI আদালতের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে গিয়েছিলো কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা।
আর সেখানেই জামিনের রায়কে স্থগিত করলো হাইকোর্ট। প্রধান বিচারপতি রাজেশ বিন্দালের বেঞ্চ খারিজ করে দেয় জামিন। হাইকোর্টের তরফ থেকে জানানো হয়েছে আগামী বুধবার হবে এই মামলার পরবর্তী শুনানি, ততদিন পর্যন্ত শোভন-ফিরহাদ-মদন এবং সুব্রত মুখ্যপাধ্যায়কে থাকতে হবে জেল হেফাজতে। এখনো পরযন্ত তাঁদের রাখা হয়েছে নিজাম প্যালেসেই। সূত্রের খবর প্রেসিডেন্সি জেলের একটি ওয়ার্ডে তাঁদের রাখার ব্যবস্থা করা হচ্ছে।


ববি-শোভনদের জামিন খারিজ হাইকোর্টে, অন্যদিকে কলকাতার সিবিআই আধিকারিকদের তরফে আবেদন করা হয় দিল্লির সদর দফতরে। বলা হয়েছে নারদে অভিযুক্তদের তদন্ত পশ্চিমবঙ্গে চালানো মুশকিল হচ্ছে। কারন অভিযুক্তরা প্রত্যেকেই প্রভাবশালী। সূত্রের খবর কলকাতা দফতরের আবেদনে সবুজ সংকেত দিয়েছে দিল্লির সদর দফতর। শিয়রে শনি হেভিওয়েটদের, নারদা তদন্ত সরছে গুয়াহাটি অথবা ভুবনেশ্বরে। এখন দেখার এই মামলা আর কত মোড় নেয়।







