নজরবন্দি ব্যুরোঃ কঠিন দায়িত্ব মার্কিন গোয়েন্দাদের, ৯০ দিনের মাথায় বাইডেনকে জমা দিতে হবে করোনার উৎসের রিপোর্ট! কারন দুনিয়া জুড়ে গত এক বছরের বেশি সমস্য জুড়ে দাপটা চালালেও এখনো সঠিক ভাবে জানা যায়নি এই ভাইরাদসের আবির্ভাব। প্রথম ঢেউ সামলে নিলেও ফের আছড়ে পড়েছে দ্বিতীয় ঢেউ, যার প্রভাবে এক প্রকার বিপর্যস্ত ভারত। সাধারন মানুষ দিন গুনছেন তৃতীয় ঢেউয়ের। তার মাঝেই হানা দিচ্ছে একাধিক প্রকারের ফাঙ্গাসের সংক্রমন, ঘাটতি টিকার। আর এসবের গোড়ার খোঁজ করতে গিয়ে ফের পারদ চড়ছে চিন আমেরিকার দ্বন্দ্বের।


দীর্ঘ দিন ধরে এই বিপর্যয়ের কারন, অর্থাৎ করোনা ভাইরাসের উৎপত্তি স্থল জানতে মরিয়া সকল মহল। আগেই মার্কিন গোয়েন্দারা জানিয়েছিলো উহানের বায়োসেফটি ল্যাবরেটারি থেকেই রাসায়নিক মারণাস্ত্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছিলো এই ভাইরাস। তবে হু জানিয়েছিলো ল্যাবরেটারি নয় খোলা বাজার থেকেই ছড়িয়েছে এই ভাইরাস। একাধিক জল্পনার মধ্যে আরও ঢেউ চলে এলেও এখনো সঠিক ভাবে জানা যায়নি এই ভাইরাসের উৎসস্থল।হু দাবি করেছে তদন্তের জন্য চিনের কাছে রিপোর্ট চেয়ে পাঠালে তারা কখনোই সঠিক রিপোর্ট দেয়না, উলটে বিভ্রান্ত করে গবেষণায়।
সেদিকেই এবার নির্দেশ বাইডেনের। মার্কিন গোয়েন্দাদের নির্দেশ দিয়েছেন প্য়য়জনে আরও কঠোর পরিশম করে তিন মাস অর্থাৎ ৯০ দিনের মধ্যে করনা ভাইরাসের সঠিক উপত্তিস্থল জানিয়ে রিপোর্ট জমা দেবেন তাঁরা। হোয়াইট হাউসের তরফে বলা হয়েছে এই ভাইরাসের উৎপত্তি হিসেবে এখন পর্যন্ত উঠে এসেছে দুই জায়গার নাম, এক উহানের ল্যাবরেটারি দুই সেখানের খোলা কাঁচা মাছ-মাংসের বাজার।
এর মধ্যে সঠিক উৎসস্থল খুঁজে বের করার জন্য ৯০ দফিন সময় দেওয়া হয়েছে মার্কিন গোয়েন্দাদের। মঙ্গলবার করােনা মােকাবিলায় হােয়াইট হাউসের প্রবীণ উপদেষ্টা অ্যান্ডি ফ্লাভিত বলেন, “এই গােটা ঘটনার গােড়ায় যেতে হবে। ভাইরাসটির উৎস সন্ধানে চিন থেকে স্বচ্ছ প্রক্রিয়া ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সযােগিতার প্রয়ােজন। তবে এমনটা আদৌ হচ্ছে বলে আমরা মনে করি না।”


একই বিষয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের প্রধান চিকিৎসা উপদেষ্টা অ্যান্টনি ফাউচি বলেন, “আমরা মনে করি এই বিষয়ে (করােনার ভাইরাসের উৎস) তদন্ত চালিয়ে যাওয়া উচিত। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তদন্তের পর এবার পরবর্তী পর্যায়ে যাওয়ার সময় এসেছে। কারণ ভাইরাসটির উৎস নিয়ে আমরা ১০০ শতাংশ নিশ্চিত হতে পারিনি। তাই তদন্ত চালিয়ে যাওয়া জরুরি।” সমগ্র তদনের খুঁটিনাটি খতিয়ে দেখবেন মার্কিন নিরাপত্তা উপদেষ্টা। তবে মার্কিন প্রেসিডেন্টের এই ততপরতায় অনেকেই মনে করছেন ট্রাম্প পরবর্তী সময়ে ফের পারদ চড়বে চিন-আমেরিকার দ্বন্দ। শুধু তাই নয় সঠিক তথ্য এলে আন্তর্জাতিক মহলেও বেশ চাপে পড়বে চিন।







