রাজনীতিতে কাদা ছোঁড়াছুঁড়ি নতুন কিছু নয়। অশালীন ভাষায় প্রতিপক্ষকে আক্রমণ করা হয়। শাসক-বিরোধী এই রাজনৈতিক বাকযুদ্ধ কখনও বিকৃত আকার ধারণ করে। তোলপাড় ফেলে দেয় রাজ্য রাজনীতিতে। কখনও কখনও সেই ‘কুকথা’র রেশ বঙ্গ রাজনীতির গণ্ডী ছাড়িয়ে পৌঁছে যায় জাতীয় রাজনীতির অলিন্দে। লোকসভা ভোটের আর বাকী মাত্র ১৫ দিন। আর ভোটের দিনক্ষণ যত এগিয়ে আসছে ততই আরও বাড়ছে আক্রমণ।



আরও পড়ুন : জোট করলে কি মিলবে ভোট! ধোঁয়াশা বাম- কংগ্রেসের অন্দরে
ভোটের আবহে এক বিরল দৃশ্যের সাক্ষী থাকল বাংলা। রাজ্যের মহিলাদের জন্য স্বনির্ভর প্রকল্প লক্ষ্মীর ভাণ্ডার চালু করেছে রাজ্য সরকার। এবার তার আদলে এল স্বরসতী ভাণ্ডার। মা লক্ষ্মী সম্পদের দেবী, মা সরস্বতী বিদ্যার দেবী। ভাষা সন্ত্রাস থেকে রাজনৈতিক নেতানেত্রীদের বিরত থাকার বার্তা নিয়ে শিল্প সাহিত্যিক ও অভিনেতা অভিনেত্রীরা প্ল্যাকার্ড হাতে কলকাতায় নির্বাচন কমিশনের দফতরের সামনে প্রতিবাদও জানান ।

নির্বাচনী ময়দানে অভিনব প্রতিবাদ, ভোট-আবহে সামনে এল ‘সরস্বতী ভাণ্ডার’
সেই সমস্ত প্ল্যাকার্ডের কোনওটিতে লেখা ছিল, ‘লক্ষ্মী ভাণ্ডারের পর সরস্বতী ভাণ্ডার, নির্বাচনী প্রচারে অশালীন ভাষা প্রয়োগ বন্ধ করুন।’ কোন প্ল্যাকার্ডে লেখা ছিল, ‘টাকা নয় পাবেন রবি ঠাকুরের মত শুদ্ধ ভাষা।’ প্রতিবাদ আন্দোলনের প্রথম সারিতে ছিলেন মডেল – অভিনেত্রী ঝর্ণা ভট্টাচার্য। তিনি বলেন, ‘এই ভাষা সন্ত্রাস চলতে থাকলে কিন্তু আমাদের এই যুগ সন্ত্রাসের যুগ বলেই পরিচিত হবে।’









