‘৫ মে-র পর সিন্ডিকেটরাজ শেষ’, গঙ্গারামপুরে কড়া বার্তা অমিত শাহের

গঙ্গারামপুরের সভা থেকে সিন্ডিকেটরাজ, অনুপ্রবেশ ও দুর্নীতি ইস্যুতে তোপ অমিত শাহের। পাল্টা প্রচারে তৎপর তৃণমূলও।

নজরবন্দি ডিজিটাল ডেস্ক

ভোটের উত্তাপে আরও চড়ল রাজনৈতিক ভাষার তীব্রতা। গঙ্গারামপুরের জনসভা থেকে কড়া হুঁশিয়ারি দিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তাঁর দাবি, বিজেপি ক্ষমতায় এলে সিন্ডিকেটের সঙ্গে যুক্তদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে—“৫ তারিখের পর উল্টো করে ঝুলিয়ে সোজা করা হবে”—এই মন্তব্য ঘিরে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক বিতর্ক।

সভামঞ্চ থেকে শাহ অভিযোগ করেন, রাজ্যে নির্মাণ সামগ্রী কিনতে গেলেই সাধারণ মানুষকে ‘সিন্ডিকেট ট্যাক্স’ দিতে হচ্ছে। তাঁর কথায়, এই ‘সিন্ডিকেটরাজে’ অতিষ্ঠ বাংলার মানুষ। তিনি আশ্বাস দেন, বিজেপি সরকার গঠিত হলে এই ব্যবস্থার অবসান ঘটানো হবে এবং দুর্নীতির বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

একইসঙ্গে রাজ্যের শাসকদল All India Trinamool Congress-কে আক্রমণ করে শাহ বলেন, “দিদির দুর্নীতি ও ভ্রষ্টাচার শেষ হবে।” তাঁর বক্তব্যে স্পষ্ট, আইনশৃঙ্খলা ও দুর্নীতির ইস্যুকেই ভোটের মূল হাতিয়ার করতে চাইছে বিজেপি।

এদিন অনুপ্রবেশ ইস্যুতেও সরব হন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তাঁর দাবি, ৫ মে বিজেপি সরকার গঠিত হলে রাজ্য ও দেশ থেকে অনুপ্রবেশকারীদের চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পাশাপাশি সীমান্ত সুরক্ষার জন্য বেড়া নির্মাণে রাজ্য সরকারের বাধা দেওয়ার অভিযোগও তোলেন তিনি।

উত্তরবঙ্গের উন্নয়ন প্রসঙ্গ তুলে রাজবংশী ভাষাকে সংবিধানের অষ্টম তফসিলে অন্তর্ভুক্ত করার প্রতিশ্রুতি দেন শাহ। একইসঙ্গে গোর্খা সমস্যার সমাধানের আশ্বাসও শোনা যায় তাঁর বক্তব্যে।

বাংলা নববর্ষের প্রসঙ্গ টেনে তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-কে কটাক্ষ করে বলেন, “দিদিকে টাটা, বাই-বাই বলতে হবে।”

অন্যদিকে, একই দিনে উত্তরবঙ্গে জোর প্রচার চালাচ্ছে তৃণমূলও। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় কোচবিহারে রোড শো করেন, যেখানে প্রথম দফার ভোটকে সামনে রেখে প্রচারের ঝাঁজ আরও বাড়ানো হয়েছে।

সব মিলিয়ে, উত্তরবঙ্গের মাটি এখন তৃণমূল-বিজেপির তীব্র লড়াইয়ের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।

সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে

Google News Google News এবং Google Discover Google Discover -এ নজরবন্দি-কে Follow করে রাখুন।

সদ্য প্রকাশিত

এই ক্যাটেগরির আরও খবর