নজরবন্দি ব্যুরো: শক্তি সঞ্চয় করে তীব্র ঘূর্ণিঝড়ের রূপ নিয়ে রবিবার দুপুরেই মায়ানমারে আছড়ে পড়েছে ঘূর্ণিঝড় মোকা। এদিন সকাল থেকেই শুরু হয়েছে ল্যান্ডফল প্রক্রিয়া। এই প্রক্রিয়া টানা দেড়-দুই ঘণ্টা ধরে চলবে বলেই খবর। মোকার প্রকোপ বাংলায় পড়েনি। কোনওরকম বড় ক্ষতির সম্ভবনা নেই। তবে আশঙ্কা এখনই কাটেনি বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর। কালবৈশাখীর তাণ্ডবে তছনছ হবে বাংলা?
আরও পড়ুন: আমফানের থেকেও ভয়াবহ রূপ নেবে মোকা! ২১০ কিমি গতিবেগে আজই আছড়ে পড়বে ঘূর্ণিঝড়


আলিপুর আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, মোকার জেরে চলতি মরশুমে আন্দামানে সময়ের আগেই প্রবেশ করবে বর্ষা। হাওয়া অফিস জানিয়েছে, আগামী ১৬ মে থেকে ২০ মে উত্তরবঙ্গে ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। অন্যদিকে, দক্ষিণবঙ্গে ১৭ মে থেকে ২০ মে কলকাতা সহ বিভিন্ন জেলায় বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। কালবৈশাখীর সতর্কতা জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর। পাশাপাশি পূর্ব-পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম এবং পুরুলিয়ায় গরম বাড়বে। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে বলে জানানো হয়েছে।

আবহাওয়া দফতর আগেই জানিয়েছিল, বাংলাদেশ ও মায়ানমার উপকূলে আছড়ে পড়বে ঘূর্ণিঝড় মোকা। পশ্চিমবঙ্গে বড় কোনও প্রভাব ফেলবে না। ঘূর্ণিঝড়ের আগাম সতর্কতা হিসেবে বাংলাদেশ ও মায়ানমারের উপকূল এলাকা থেকে মানুষদের নিরাপদ স্থানে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। ক্সবাজার এবং চট্টগ্রাম থেকে প্রায় ৩ লক্ষ লোককে নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। বাংলাদেশ উপকূলে বিশাল উচ্চতায় উঠতে পারে সমুদ্রের ঢেউ। ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাসের পাশাপাশি ভূমিধসের আশঙ্কা রয়েছে। ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে।



আবহাওয়াবিদরা আগেই জানিয়েছিলেন, বাংলায় সরাসরি মোকার কোনও প্রভাব পড়বে না। তবে পরোক্ষভাবে রাজ্যের উপকূলবর্তী এলাকায় আকাশ মেঘলা থাকবে। দুই ২৪ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুর সহ একাধিক জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। তবে আগামীকাল থেকে পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, বীরভূম, পশ্চিম বর্ধমানে তাপপ্রবাহের সতর্কতা রয়েছে। অন্যদিকে, সোমবার থেকে উত্তরবঙ্গের সব জেলায় বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস জারি করেছে আবহাওয়া দফতর।
ঘূর্ণিঝড় থেকে রেহাই পেলেও আশঙ্কা কাটেনি, লাইনে রয়েছে পরপর দুটি কালবৈশাখী








