নজরবন্দি ব্যুরোঃ জোট নিয়ে কংগ্রেসে নেতার মন্তব্যের বিরুদ্ধে ফের গর্জে উঠলেন অধীর। রাজ্যে ত্রিমুখী জোটের কথা ঘোষণা আগেই ঘোষণা করেছে কংগ্রেস, বামফ্রন্ট ও আব্বাস সিদ্দিকির ইন্ডিয়ান সেকুলার ফ্রন্ট। কিছুদিন আগেই ব্রিগেডের সভায় একসঙ্গে দেখা গেছে তিন দলের নেতাদের। তবে আসন সমঝোতা নিয়ে এখনও কিছু জোট রয়েছে কংগ্রেস ও সেকুলার ফ্রন্টের মধ্যে। যে জোটকে দলের মূল ভাবধারার বিরোধী বলে মন্তব্যে করেছিলেন কংগ্রেস নেতা আনন্দ শর্মা।
আরও পড়ুনঃ টাকা জালিয়াতির কেসে ফাঁসলেন রাখি সাওয়ান্ত এবং তাঁর ভাই।


যা নিয়ে মঙ্গলবার টুইটারে বিরোধিতা করে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী লেখেন “দলকে বিতর্কের মধ্যে ঠেলে দিয়ে কাকে খুশি করতে চাইছেন আনন্দ? বিজেপি ও তৃণমূলকে খুশি করার জন্য টুইটার যদি কিছু লেখা হয় তা দলের মতামত হতে পারে না। তাই আমি ওঁর বিরোধিতা করেছি।”
গতকালের পর আজ ফের এব্যাপারে সরব হয়ে তিনি বলেন ‘আমরা একটি রাজ্যের দায়িত্বে রয়েছি। দিল্লির অনুমোদন ছাড়া কোনও সিদ্ধান্ত নিইনি। সিপিএম একটি ধর্মনিরপেক্ষ ফ্রন্টের নেতৃত্ব দিচ্ছে। তারই অংশ আমরা। আমরা বিজেপির সাম্প্রদায়িক রাজনীতিকে পরাস্ত করতে চাই। যাঁরা এর পক্ষে তারা চার রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনে আমাদের পাশে দাঁড়ান। তা না করে অনেকে বিজেপির এজেন্ডা অনুযায়ী কাজ করছেন। কংগ্রেসের একাংশকে অনুরোধ পার্সোনাল কমফর্ট জোনে থেকে প্রধানমন্ত্রীর প্রশংসা করা বন্ধ করুন।”
জোট নিয়ে কংগ্রেসে নেতার মন্তব্যের বিরুদ্ধে ফের গর্জে উঠলেন অধীর। বুধবার অধীর আরও বলেন, “আমার সঙ্গে সরাসরি বামেদের কথা হয়েছে। বাকি কারও সাথে আমার কথা হয় নি। ওঁর কিছু যদি বলার থাকত তাহলে ফোন করেই বলতে পারতেন। পশ্চিমবঙ্গে একদিকে সাম্প্রদায়িক শক্তি বিজেপি উল্টোদিকে স্বৈরতান্ত্রিক শক্তি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে তৃণমূল। এই দুইয়ের আক্রমণে আমরা জেরবার। সেই জায়গায় দাঁড়িয়ে ২০১৬ সালে যেমন বামেদের সঙ্গে জোট করেছিলাম, ২০২১ এও বামেদের সাথে জোটের কথা বলেছি।”









