নজরবন্দি ব্যুরোঃ ঘৃণা ও ধর্মান্ধতার রাজনীতিকে হারিয়েছে উন্নয়নের রাজনীতি, ধূপগুড়ি উপনির্বাচন জিতে বার্তা তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যেয়ের। ধূপগুড়িতে চার হাজারেরও বেশি ভোটে জিতলেন তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী নির্মলচন্দ্র রায়। হারতে হল বিজেপি প্রার্থী তাপসী রায়কে।
আরও পড়ুনঃ বিজেপির জেতা আসন পুনরুদ্ধার তৃণমূলের, ধূপগুড়িতেও ফুটল ঘাসফুল!
তৃণমূলের প্রার্থীর জয়ের পর নিজের এক্স (ট্যুইটারের বর্তমান নাম) হ্যান্ডলে পোস্ট করে ধূপগুড়ির মানুষ এবং তৃণমূল কর্মী সমর্থকদের ধন্যবাদ জানালেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি লেখেন, ‘‘ঘৃণা এবং ধর্মান্ধতার রাজনীতির বদলে উন্নয়নের রাজনীতি গ্রহণ করার জন্য ধূপগুড়ির মানুষকে ধন্যবাদ। অক্লান্ত পরিশ্রম করে জনগণের সঙ্গে সংযোগ স্থাপনের জন্য তৃণমূল কর্মীদের স্যালুট জানাই। আমরা ধূপগুড়ির উন্নয়ন নিশ্চিত করার চেষ্টায় কোনও ত্রুটি রাখব না। জয় বাংলা।”
Thank you #Dhupguri, for embracing the politics of development over hatred and bigotry. Saluting every AITC worker for their tireless efforts in connecting with the people. We’re committed to leaving no stone unturned in ensuring Dhupguri’s all-round development. 🙏🏻
সদ্য প্রকাশিত
কোনও লক্ষণ ছাড়াই বাড়ছে রক্তচাপ! স্ট্রোকের ঝুঁকি এড়াতে কোন লক্ষণে সতর্ক হবেন?
রাজ্য সরকারি স্কুলে নতুন শিক্ষকদের রাজনীতি নিষিদ্ধ! মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্ত ঘিরে বিতর্কজয় বাংলা 💪🏻
— Abhishek Banerjee (@abhishekaitc) September 8, 2023
একুশের বিধানসভায় ধূপগুড়ি বিধানসভা কেন্দ্রে জয়লাভ করে বিজেপি। জিতে বিধায়ক হন বিষ্ণুপদ রায়। তাঁর মৃত্যুতেই ধূপগুড়িতে উপনির্বাচন হয় গত ৫ই সেপ্টেম্বর। আজ ছিল ফলাফল। আর ১০ রাউন্ড গণনার পর দেখা গেল চার হাজারের বেশি ভোটে জিতে গেল তৃণমূল। অর্থাৎ, নিজেদের হারানো আসন পুনরুদ্ধার করল শাসক দল। কিন্তু কেন বিজেপি হারল ধূপগুড়িতে?

আজ গণনার শুরু থেকেই তৃণমূল ও বিজেপির মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই চলছিল। প্রথমে পিছিয়ে ছিল তৃণমূল। চতুর্থ রাউন্ড থেকেই তৃণমূল এগিয়ে যায়। আর সেই ব্যবধানই ধরে রেখে ধূপগুড়ি পুনরুদ্ধার করল শাসক দল।

ঘৃণা ও ধর্মান্ধতার রাজনীতিকে হারিয়েছে উন্নয়নের রাজনীতি, ধূপগুড়ি ছিনিয়ে বার্তা অভিষেকের
প্রচারে গিয়ে দীর্ঘদিন ধরে ধূপগুড়ির মানুষের যে দাবি অর্থাৎ ধূপগুড়িকে আলাদা মহকুমা ঘোষণা করা হোক, উপনির্বাচনের প্রচারে গিয়ে সেই দাবিকে মান্যতা দেবার আশ্বাস দিয়ে আসেন তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তার জন্য মানুষকে অনুরোধ করেন, তৃণমূলকে জেতানোর জন্য। আর অভিষেকের এই কথাই ধূপগুড়িতে মাস্টারস্ট্রোকের মতো কাজ করেছে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক মহলের একাংশ।




