নজরবন্দি ব্যুরো : সামনের বছর ভোট। ২০১১ থেকে ২০২০…মাঝে অনেক জল গড়িয়েছে। হয়েছে বহু পরিবর্তন। যদিও এদিকে শিক্ষিত বেকারদের কাছে সেই পরিবর্তন এখন অনেকটাই দুঃস্বপ্নের মতো হয়ে দাঁড়িয়েছে। রাজ্যের বিভিন্ন জায়গা থেকে প্রতিদিনই প্রায় শিক্ষকতার চাকরিতে বৈষম্য আর বেনিয়ম আর নিয়োগ বঞ্চনার অভিযোগ ওঠে।
আরও পড়ুন : পাখির চোখ বিধানসভা নির্বাচন, এবার গুরুত্বপূর্ণ পদে শোভন বৈশাখী।
ঠিক এই রকমই প্রাইমারি টেট পাস বিএড ক্যান্ডিডেট রাও চরম বঞ্চনার শিকার বলে অভিযোগ। এই হবু শিক্ষকদের দীর্ঘদিনের অভিযোগ, বিগত টেট পরীক্ষার সময় তাঁদের বিএড কোর্স কমপ্লিট ছিল কিন্তু পর্ষদ আলাদা করে কোনও সুবিধা দেওয়ার ব্যবস্থা করেনি। পর্ষদ গেজেট লুকিয়ে আমাদের বঞ্চিত করেছে।
এ বিষয়ে এক ক্যান্ডিডেট সরকারের কাছে আবেদন জানিয়েছেন যে, ‘আমরা ২০১৪ সালের প্রাইমারি টেট পাস বিএড ক্যান্ডিডেট। ২০১৬ সালে যখন প্রাইমারি ভাইভা হয়েছিল তখন আমাদের বিএড কমপ্লিট ছিল। NCTE নিয়ম অনুযায়ী বিএডরা নিয়োগ পাওয়ার পরে ৬ মাসের ব্রিজ কোর্স করলেই হতো। যদিও পর্ষদ বিএড না নিয়ে non-trend নিয়োগ করেছে। আমরা তখন বঞ্চিত হয়েছি। কমবেশি ১৫০০ থেকে ২০০০ বিএড ক্যান্ডিডেটকে তখন বঞ্চিত করা হয়। পর্ষদের তখন NCTE NORM 2011 মেনে d.ed নিয়োগের পর বিএড নিয়োগ করে তারপর non-trend নিয়োগ করার দরকার ছিল।’
তিনি আরও বলেন, ‘সরকারের কাছে বিনীত অনুরোধ যেসব বিএড ক্যান্ডিডেট বঞ্চিত হয়েছিল তাদের নিয়োগ সুনিশ্চিত করা হোক। আমরা সকল বিএড প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত (ভাইভার সময় যাদের বিএড কমপ্লিট ছিল) টেট পাস ক্যান্ডিডেট পর্ষদের কাছে বিনীতভাবে অনুরোধ করছি আমাদের বিষয়টি দেখার জন্য। আমাদের বঞ্চিত করা হয়েছে কিনা আপনারাই বিবেচনা করে দেখুন। আমাদের নিয়োগ সুনিশ্চিত করুন।’
ফের পর্ষদ NCTE-র নিয়ম নিয়ে সরব হবু শিক্ষকরা, প্রসঙ্গত, শিক্ষক-শিক্ষিকা নিয়োগে স্বচ্ছতা আনতে ১৯৯৭-তৈরি হয় স্কুল সার্ভিস কমিশন। প্রথমদিকে একটি পরীক্ষার মাধ্যমেই পঞ্চম থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষক-শিক্ষিকা নিয়োগ হত। বদল আসে ২০১০-এ। ২০১০-এ NCTE-জানিয়ে দেয়, শিক্ষার আধিকার আইন অনুযায়ী শিক্ষক-শিক্ষিকাদের B.ED ট্রেনিং থাকা বাধ্যতামূলক।



