প্রবাল চক্রবর্তী, শিক্ষক ও সমাজকর্মীঃ বাইডেন ও হিন্দুরাষ্ট্র! হেরে গেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। মার্কিণ মুলুকের হবু রাষ্ট্রপতি বা ” প্রেসিডেন্ট-ইলেক্ট ” হিসাবে ঘোষিত হয়েছে জো বাইডেন এর নাম। ভারতে যাঁরা ট্রাম্পকে দেবজ্ঞানে পুজো করেছেন বারংবার, এমনকি খোদ আমেরিকায় গিয়ে “আব কি বার ট্রাম্প সরকার” বলে নজিরবিহীন ক্যাম্পেন করে এসেছেন মানুষের করের টাকায়।
আরও পড়ুনঃ স্তিমিত মোদি ম্যাজিক। দিল্লি-বিহার বুঝিয়ে দিল ‘২১ নির্বাচনে কি ঘটবে রাজ্যে! #Editorial


তাঁরা মুখময় লেপ্টে যাওয়া চুনকালি মুছতে এতটাই তৎপর হয়ে উঠেছেন যে সামাজিক মাধ্যমে “জো বাইডেন সনাতন ধর্মের প্রতি বরাবরই শ্রদ্ধাশীল। এমনকি অমুক মন্দিরে ১১ ডলারের পুজোর ডালি দিয়েছিলেন!” ইত্যাদি প্রচার শুরু হয়েছে জোর কদমে। কিন্তু সামাজিক মাধ্যমে বিচরণকারী সকলে এই ফাঁদে পা দেবার বান্দা নয়।
বাইডেন ও হিন্দুরাষ্ট্র! ফেসবুকে জনপ্রিয় এক শিক্ষক বিশ্ব বিখ্যাত সংবাদপত্র WALL STREET JOURNAL কে উদ্ধৃত করে জানাচ্ছেন, “২০০৫ সালে ধর্মীয় স্বাধীনতা সংক্রান্ত আইনের বলে গুজরাটের তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী নরেন্দ্র দামোদরদাস মোদিকে ১৫ বছরের জন্য মার্কিণ যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করে মার্কিণ প্রশাসন। ২০০২ সালে গুজরাটে ভয়াবহ সংখ্যালঘু – নিধন এবং দাঙ্গায় মদতদানই এই নিষেধাজ্ঞার একমাত্র কারন ছিলো।
আর এই ঐতিহাসিক অপমানের কৃতিত্ব অদ্যাবধি একজন মাত্র ভারতীয়ই অর্জন করতে পেরেছেন, তাঁর নাম নরেন্দ্র দামোদরদাস মোদী। পরে এই নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হলেও স্বাধীন ভারতের নাগরিকদের মধ্যে ওঁর নামই লাল কালিতে লেখা হয়ে গেছে মার্কিন প্রশাসনের খাতায়। আর এই নিষেধাজ্ঞা জারির পেছনে যে মানুষটির অবদান অনস্বীকার্য, তিনি তৎকালীন মার্কিণ ভাইস প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন।


তাঁরই বিজয়ে গদগদ উগ্রহিন্দুত্ববাদীরা উন্মাদের মতন প্রচারে নেমেছে। আসলে সাদা চামড়ার প্রতি দাসত্ববোধের ঐতিহ্য ওদের জিনগত। সাভারকার থেকে মোদী সরকার, ” সেই ট্রেডিশন সমানে চলছে “।
আরও পড়ুনঃ ২০২২ সালের আগে সাধারণের জন্য ভ্যাকসিন নয়। জানালেন এইমসের (AIMS) ডিরেক্টর।
সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে
Google News এবং Google Discover-এ নজরবন্দি-কে Follow করে রাখুন।



