নজরবন্দি ব্যুরোঃ “বড়মার চিঠি আছে” পরিবারতন্ত্রের বিরোধিতার সাথেই মতুয়াদের মন জয় মমতার। বাংলায় পাঁচ দফা নির্বাচন ইতিমধ্যেই মিটেছে। আগামী ২২ শে এপ্রিল মতুয়া অধ্যুষিত গায়ঘাটায় নির্বাচন। যেখানে তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী করেছে নরোত্তম বিশ্বাসকে। অর্থাত্ ঠাকুর পরিবারের সদস্য নন, এমন এক ব্যক্তি এবার নির্বাচনী লড়াইয়ে। রবিবার গাইঘাটার নির্বাচনী জনসভা থেকে এবিষয়ে মুখ খুললেন মমতা। সব মতুয়ারাই তাঁর কাছে সমান প্রিয় বলে মন্তব্য করেন তিনি।
আরও পড়ুনঃ হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে প্রয়াত তৃণমূলের প্রাক্তন বিধায়ক, শোকস্তব্ধ ভাঙড়।
রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনে মতুয়া সম্প্রদায়ের প্রভাব আছে এমন এলাকায় দলের টিকিট দেওয়া নিয়ে ঠাকুর পরিবারের একটি বিশেষ অংশের প্রতি পক্ষপাত করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেছেন তৃণমূল নেত্রী। এই প্রসঙ্গেই বিজেপি-র প্রতি তাঁর প্রশ্ন, ”কই একটা গোঁসাই, দলপতি, কিংবা সাধারণ সমর্থককে তো টিকিট দাওনি?’ সিএএ নিয়ে বিজেপি নেতারা দ্বিচারিতা করছেন বলেও অভিযোগ মমতার। তাঁর দাবি, ”এখানে এসে বলছে মতুয়াদের অধিকার দেবে। আবার দার্জিলিং, জলপাইগুড়িতে গিয়ে বলছে সিএএ হবে না। এক একটা জায়গায় গিয়ে এক এক রকম কথা বলছে। ওদের মুখোশ খুলে পড়ছে। ওদের বহুরূপী চরিত্র। কখনও টিকটিকি, কখনও গিরগিটি, কখনও নেংটি ইঁদুর, কখনও বেড়াল। লোকসভায় মতুয়ারা তো ভোট দিয়েছিল। কিন্তু বিজেপি একটা কাজ করেছে?” সম্প্রতি বাংলাদেশে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর মতুয়া তীর্থক্ষেত্র ওড়াকান্দি সফর নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন মমতা।
“বড়মার চিঠি আছে” পরিবারতন্ত্রের বিরোধিতার সাথেই মতুয়াদের মন জয় মমতার। প্রধানমন্ত্রীকে নিশানা করে তাঁর তোপ, ”তুমি প্রধানমন্ত্রী প্রতিবার বাংলাদেশ যাও আমাকে নিয়ে। তার কারণ শেখ হাসিনা আমাকে ভালবাসেন। কই, এ বার লুকিয়ে লুকিয়ে গেলে, এখানকার একটা ছোকরাকে নিয়ে। কই তখন তো আমাকে নিয়ে গেলে না। ভোটের জন্য যেতে হল। মমতা বাংলাদেশিদের, অনুপ্রবেশকারীদের মদত দেয়। মমতা গেলে বিষ হয়, আর তুমি গেলে বিষক্ষয় হয়?”



