নজরবন্দি ব্যুরো: মঞ্চে প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন মোদী, নীচে চলল লাগামহীন পকেটমারি। এমন ঘটনাই ঘটল নরেন্দ্র মোদির জনসভায়! নিজেদের সমর্থনের নেতা মন্ত্রীদের দেখতে দলে দলে লোক জমায়েত হয় সভা মঞ্চের সামনে। উপস্থিত জনগণকে দেখে দলের নেতা মন্ত্রীরাও জলমাপেন সমর্থনের। তবে সবাই যে সমর্থন করতে আসেন না তা বোঝা যাচ্ছে একের পর এক সভার পরেই। তাঁরা সমর্থন করেন কোনো এক দলকেই, কিন্তু ভিড় জমান প্রায় সব দলেই। তার কারণ স্পষ্ট হচ্ছে একে একে। ঘটনা সামনে এসেছে বৃহস্পতিবার মোদীর সভার পর।
আরও পড়ুনঃ টাকার বদলে তৃণমূলকে আসন বিক্রি করছেন নেতারা! আগুন জলপাইগুড়ির BJP কার্য্যালয়ে।
গতকাল পুরুলিয়ায় সভা করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। মোদীর একের পর এক শাসক দলের প্রতি তোপ আর জনগণের প্রতি প্রতিশ্রুতির মধ্যেই কেউ কেউ অনুভব করতে থাকেন খালি হচ্ছে তাঁদের পকেট। যেমনি বোঝা তেমনি চিৎকার। গতকাল মোদীর জনসভা চলার মাঝেই চিৎকার ওঠে পকেটমার পকেটমার। কয়েকজনকে পাকড়াও করে কিল ঘুষি ও মারা হয়। কিন্তু ওই ভিড়ে ওই জনগণের মধ্যে প্রমাণ সহ হাতে নাতে ধরা যায়নি কাউকে।
তবে ওয়াকিবহাল মহল বলছে মোটেই নতুন নয় এই গল্প। এই কাহিনী বহু দিনের। তৃণমুল বিজেপি বাম সব দলের মিছিলেই ঘটে থাকে এই ঘটনা। থিকথিকে জনসভার মধ্যে চুপিসারে নিজেদের কাজ করে নেন এই পকেটমারেরা। মোবাইল, মানিব্যাগ, গাড়ির চাবি সামনে যা থাকে তাই নিয়ে চম্পট লাগায়। বিজেপির সভায় একাধিক স্বেচ্ছাসেবক সতর্ক ভাবে থাকলেও হাত সাফাই করে নেন পকেটমারেরা। যতক্ষণে বুঝতে পারেন ততক্ষনে আর খুঁজে পাওয়া যায়নি।
মঞ্চে প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন মোদী, নীচে একের পর এক পকেটমারি! এ বিষয়ে বিজেপির জেলা সভাপতি বলেছেন, সভায় পকেটমারের কথা শুনেছেন তিনিও। তবে তিনি অভিযোগের আঙ্গুল তুলেছেন পুলিশের দিকে। তাঁর মতে পুলিশের ব্যর্থতার কারণেই পকেটমারেরা পকেটমারি করে পার পেয়ে যাচ্ছে।



