নজরবন্দি ব্যুরোঃ দুর্নীতির দায়ে ডুবেছে দল। প্রতিনিয়ত অভিযোগ উঠেছে দলের নেতাদের বিরুদ্ধে। তাই আগামী দিনে বিজয়া সম্মীলনী অনুষ্ঠানের মাধ্যমে জনসংযোগে জোর দিয়েছে তৃণমূল। আগামী ১২ দিনে ৫০০ জনসংযোগ করার পরিকল্পনা রয়েছে তৃণমূলের। যা নিয়ে এবার সরব হলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি দিলীপ ঘোষ। তাঁর কথায়, এদের বিসর্জনের বাজনা বেজে গেছে।
আরও পড়ুনঃ কলকাতার কুঁদঘাট এলাকায় প্রযোজনা সংস্থার গোডাউনে বিধ্বংসী আগুন, বিরাট ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা
বৃহস্পতিবার খড়গপুর শহরে চা চক্রে বের হন দিলীপ ঘোষ। সেখান থেকে স্বমহিমায় তৃণমূলের বিরুদ্ধে তোপ দাগেন তিনি। মেদিনীপুরের বিজেপি সাংসদের কথায়, আমাদের দেখে শিখছে আর কী! টিএমসির বিজয়া সম্মেলনিতে কী হয় সেটা কি আমরা জানি না? আমরা মণ্ডলে-মণ্ডলে ১ হাজার ২০০ বেশি বিজয়া সম্মেলনী করছি। শুরুও হয়ে গিয়েছে। সেটা দেখে মনে হয়েছে যে, এটা তো জনসংযোগের একটি ভাল মাধ্যম। সেটা যদি হয় আমার মনে হয় এটি একটি ভাল কাজ।

তিনি আরও বলেন, সমাজের সবাইকে নিয়ে আনন্দ করা পুজোর পরে মিলিত হওয়া যে অসুরক্ষা, অসামঞ্জস্য সমাজে দেখা যাচ্ছে। সেটা যদি কোনও পার্টি করে সেটা ভাল কথা। তবে সেখানে এগুলো কাটমানির টাকায় হবে। মজ-মস্তি হবে। ডিজে বাজবে। বিজয়া সম্মেলনির আসল উদ্দেশ্য যদি পূরণ হয় তাহলে খুব ভাল কথা।
বছর ঘুরলেই পঞ্চায়েত নির্বাচন। সেই নির্বাচনের প্রস্তুতি সারতেই এবার ময়দানে নেমছে সমস্ত রাজনৈতিক দল। সেখানেই ফাঁপড়ে পড়েছে শাসক দল। রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী এখন জেলবদনি। আরও এক তৃণমূল বিধায়ক এই মুহুর্তে ইডির হেফাজতে। শিক্ষাক্ষেত্রে দুর্নীতি থেকে শুরু করে গরু পাচারেও জেলবন্দি অনুব্রত মণ্ডল। তাই দলের ড্যামেজ কন্ট্রোল করতে ময়দানে নামছেন তৃণমূলের নেতারা।
এদের বিসর্জনের বাজনা বেজে গেছে, তৃণমূলকে কড়া আক্রমণে দিলীপ ঘোষ

ইতিমধ্যেই জেলায় জেলায় শুরু হয়েছে সেই কর্মসূচি। তৃণমূলের রাজ্যস্তরের নেতারা একাধিক জেলায় করবেন এই কর্মসূচি। যদিও পাল্টা বিজয়ার মাধ্যমে জনসংযোগে জোর দিচ্ছে গেরুয়া শিবির। খড়গপুরে গেরুয়া শিবিরের তরফে বিজয়া সম্মীলনীর আয়োজন করা হয়েছে। সেখানে উপস্থিত থাকবেন দিলীপ ঘোষ।



