নজরবন্দি ব্যুরোঃ গতকালই নবম এবং দ্বাদশ শ্রেণীর শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় পরেশ অধিকারী সিবিআই হাজিরার নির্দেশ দিয়েছিলেন বিচারপতির অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের বেঞ্চ। এমনকি স্বচ্ছতার স্বার্থে পরেশ অধিকারীকে মন্ত্রীপদ থেকে সরিয়ে দেওয়ার জন্য মুখ্যমন্ত্রী এবং রাজ্যপালের কাছে করেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। বুধবার পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের ক্ষেত্রে একই সুপারিশ দিলেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়।
আরও পড়ুনঃ Paresh Adhikari: সিবিআইয়ের হাজিরা এড়াতে চান পরেশ, ডিভিশন বেঞ্চে গেল মামলা
এদিন বিচারপতি বলেন, তাঁর আশা, মন্ত্রিপদ থেকে শীঘ্রই সরে দাঁড়াবেন পার্থ। তবে তিনি সেই ‘আশা’র ভরসায় না থেকে একই সঙ্গে রাজ্যপাল এবং মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পার্থকে পদ থেকে সরানোর আর্জিও জানিয়েছেন। স্বচ্ছ সমাজ গঠনে দুর্নীতিকে প্রশ্রয় দেওয়া উচিত নয়। সে কথা মাথায় রেখেই এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। তবে কী আদালতের সুপারিশে মন্ত্রীপদ খোয়াতে পারেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়? জল্পনা তুঙ্গে।

ইতিমধ্যেই এসএসসির গ্রুপ সি, গ্রুপ ডি, নবম-দশম শিক্ষক নিয়োগ সংক্রান্ত মোট ৭ টি মামলায় সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট। প্রথমে প্রত্যেকটি মামলায় সিঙ্গেল বেঞ্চ প্রথম সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিয়েছিল। পরে প্রত্যেকটি মামলায় স্থগিতাদেশ দিয়ে দেওয়া হয়। আজ প্রত্যেকটি মামলায় স্থগিতাদেশ তুলে নেওয়ার পরেই পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে সিবিআই হাজিরার নির্দেশ দেওয়া হয়। একইসঙ্গে এসএসসির উপদেষ্টা কমিটির ৫ জন সদস্যকেও সিবিআই হাজিরার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
আদালতের বক্তব্য, প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে গঠিত কমিটির মাধ্যমে দুর্নীতির কথা উঠে এসেছে। সেই রিপোর্ট পেশ করেছে প্রাক্তন বিচারপতি আরকে বাগের কমিটি। সেই রিপোর্টের প্রেক্ষিতেই আজ নির্দেশ দিল আদালত।
আদালতের সুপারিশে মন্ত্রীপদ খোয়াতে পারেন পার্থ, বড় বিপদ

স্কুল সার্ভিস কমিশনের গ্রুপ সি নিয়োগের ক্ষেত্রে কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের সিঙ্গেল বেঞ্চের রায়কেই মান্যতা দিল ডিভিশন বেঞ্চ। সুব্রত তালুকদার এবং বিচারপতি আনন্দকুমার মুখ্যোপাধ্যায়ের ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়েছে সিঙ্গেল বেঞ্চ সীমা অতিক্রম করছে না।



