নজরবন্দি ব্যুরোঃ একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণীর রাষ্ট্র বিজ্ঞানের শিক্ষক নিয়োগে দুর্নীতির অভিযোগে সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। সেইসঙ্গে গতকালই রাত ৮ টার সময় সিবিআই হাজিরার নির্দেশ দিয়েছিলেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের ডিভিশন বেঞ্চ। সিবিআইয়ের হাজিরা এড়াতে চান পরেশ। তাই সিঙ্গেল বেঞ্চের সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী পরেশ অধিকারী, বিচারপতি হরিশ টন্ডন এবং বিচারপতি রবীন্দ্রনাথ সামন্তের ডিভিশন বেঞ্চের দ্বারস্থ হয়েছেন। দুপুর ২ টো থেকে মামলার শুনানি।
আরও পড়ুনঃ গরমের ছুটিতেও মিলবে মিড ডে মিল, ঘোষণা রাজ্য সরকারের
অভিযোগ, স্কুল সার্ভিস কমিশনের নিয়োগের ক্ষেত্রে প্রথমের দিকে নাম ছিল মামলাকারীর। কিন্তু পরে নিয়োগপত্রে দেখা যায় রাজ্যের শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী পরেশ অধিকারীর মেয়ে অঙ্কিতা অধিকারীর নাম প্রথম স্থানে রয়েছে। পরে মেখলিগঞ্জের ইন্দিরা উচ্চ বিদ্যালয়ে স্কুল শিক্ষক পদে রয়েছেন অঙ্কিতা। আদালতের পর্যবেক্ষন, প্রভাব খাটিয়ে মন্ত্রীর মেয়ের নিয়োগ হয়েছে।

সেকারণে মঙ্গলবার রাত ৮ টার মধ্যে নিজাম প্যালেসে সিবিআইয়ের সদর দফতরে হাজিরা দিতে বলে হয়েছে শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী পরেশ অধিকারীকে। আদালতের তরফে আরও জানানো হয়েছে, এই নির্দেশের পরেই সিবিআইয়ের আধিকারিকরা একটি তদন্তকারী দল গঠন করবে। কোথায় কোথায় দুর্নীতি হয়েছে? অর্থাৎ দুর্নীতির শিকড় কতদুর অবধি গড়িয়েছে তা খুঁজে বের করার চেষ্টা করবে।
একইসঙ্গে পরেশ অধিকারীকে মন্ত্রীপদ থেকে সরিয়ে দেওয়ার জন্য মুখ্যমন্ত্রী এবং রাজ্যপালের কাছে সুপারিশ করেছেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। বিচারপতির বক্তব্য, এটা আদালতের কোনও নির্দেশ নয়। যাতে মন্ত্রীসভায় স্বচ্ছতা থাকে সেজন্য রাজ্যপাল এবং মুখ্যমন্ত্রীর কাছে সুপারিশ করছেন তিনি।
সিবিআইয়ের হাজিরা এড়াতে চান পরেশ, এখন ডিভিশন বেঞ্চে

বিচারপতি আরও বলেন, অঙ্কিতা অধিকারীকে বরখাস্ত করলেই দুর্নীতি শেষ হয়ে যাবে এমনটা ভাবার প্রয়োজন নেই। দুর্নীতি অনেকদিন আগে থেকেই শুরু হয়েছিল। সেই কারণে অঙ্কিতার মতো প্রার্থীরা চাকরী পেয়েছে। কলকাতা হাইকোর্টের ধারণা প্রভাবশালী ব্যক্তিদের হাত রয়েছে।



