পর পর ৬৭৮ টি বাড়িতে ফাটল, ডুবন্ত শহরে পরিণত হয়েছে #Joshimath

নজরবন্দি ডিজিটাল ডেস্ক

নজরবন্দি ব্যুরোঃ পর পর ৬৭৮ টি বাড়িতে ফাটল। ফাটল ক্রমাগত বৃদ্ধি পেতেই জীবন নিয়ে সংশয়ে আম জনতা। এখনও অবধি ৬৭৮ টি বাড়িতে ফাটল দেখা দিয়েছে। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে এই হাড় কাঁপানো শীতে স্থানান্তর করা হয়েছে ৮১ টি পরিবারকে। তবে আজ থেকে শুরু হয়েছে বাড়ি ভাঙার কাজ।

আরও পড়ুনঃ Shatrughan Sinha: রাহুলের ভারত জোড়োর প্রশংসায় পঞ্চমুখ শত্রুঘ্ন! ফের দল পরিবর্তনের ইঙ্গিত?

মঙ্গলবার থেকে শুরু হয়েছে বিপদ রেখায় থাকা বাড়িগুলিকে ভেঙে ফেলার কাজ। যার মধ্যে রয়েছে হোটেলস মালারি এবং মাউন্ট ভিউ। ভাঙার কাজ দেখভাল করতে উপস্থিত হয়েছেন সেন্ট্রাল বিল্ডিং রিসার্চ ইনস্টিটউটের আধিকারিকরা। ৬৭৮ টি বাড়িতে চিহ্নিত করার পরেই সেখানকার বাসিন্দাদের সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার কাজ শুরু হয়েছে। উপস্থিত হয়েছে এসডিআরএফ, এনডিআরএফের দল। প্রয়োজন পড়লে বেশ কিছু এলাকা সিল করে দেওয়া হবে। এমনটাই জানিয়েছেন উত্তরাখণ্ডের ডিজিপি। মঙ্গলবার যোশীমঠের মানুষদের সঙ্গে দেখা করেন প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের মুখ্যসচিব অজয় ভাট।

FmGTSQZaEAASy0H

দেবভূমে এই ধরনের ঘটনা সারা দেশ তোলপাড় করেছে। বদ্রীনাথ, হেমকুণ্ড সাহিব যাওয়ার পথেই পড়ে যোশীমঠ। প্রায় ২৫ হাজার মানুষের বসবাস ছিল এই যোশীমঠে। যা ফলে বিশাল এলাকার পর্যটন বিভাগ এই মুহুর্তে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে পড়েছে। ৪০০ টি কর্মাসিয়াল বিল্ডিংয়ের পাশাপাশি ৩৮০০ টি বাসযোগ্য বাড়ি রয়েছে এই এলাকায়।

পর পর ৬৭৮ টি বাড়িতে ফাটল, আতঙ্কে রাত জাগছে যোশীমঠ 
পর পর ৬৭৮ টি বাড়িতে ফাটল, আতঙ্কে রাত জাগছে যোশীমঠ

জনবহুল এলাকায় থাকা হোটেল দুটির ভাঙার কাজ এখন থেকেই শুরু করা হয়েছে। নাহলে আগামী দিনে এই কারণে বিপদ আরও বাড়তে পারে। কিন্তু বিপদ থাকলেও বাড়ি ছাড়তে নারাজ বাসিন্দাদের একাংশ। মৃত্যু হলেও বাপ ঠাকুরদাদের বাড়ি ছাড়তে নারাজ তাঁরা।

পর পর ৬৭৮ টি বাড়িতে ফাটল, আতঙ্কে রাত জাগছে যোশীমঠ 

পর পর ৬৭৮ টি বাড়িতে ফাটল, আতঙ্কে রাত জাগছে যোশীমঠ 
পর পর ৬৭৮ টি বাড়িতে ফাটল, আতঙ্কে রাত জাগছে যোশীমঠ

রাজ্য সরকারের তরফে জানানো হয়েছে, বাড়ি ছেড়ে যারা থাকবেন, তাঁদের জন্য অস্থাইয়ী শিবিরের আয়োজন করা হয়েছে। তাঁদের থাকার জন্য প্রতিটি পরিবারকে পরবর্তী ছ’মাসের জন্য প্রতি মাসে ভাড়া বাবদ ৪০০০ টাকা করে দেওয়া হবে। কিন্তু তাতেও বরফ গলছে না। মঙ্গলবার প্রশাসনিক স্তরে আরও একটি বৈঠকের কথা শোনা যাচ্ছে।

সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহুর্তে। আমাদের ফলো করুন
Google News Google News

সদ্য প্রকাশিত