নজরবন্দি ব্যুরোঃ এমনিতেই অজানা জ্বরের প্রভাবে আতঙ্ক বাড়ছিল। শয়ে শয়ে শিশু আক্রান্ত হচ্ছে ভাইরাল নিউমোনিয়ায়, তাঁর অপর এবার ৬ জন শিশুর শরীরে মিলল স্ক্রাব টাইফাসের জীবাণু। যা অজানা জ্বরের আতঙ্ক কে বাড়িয়ে দিয়েছে কয়েকগুন। পাশাপাশি ৭ জন শিশু আক্রান্ত হয়েছে ডেঙ্গুতে। সব মিলিয়ে উত্তরবঙ্গের জলপাইগুড়ি সদর হাসপাতাল এই মুহুর্তে জ্বরে আক্রান্ত শিশুতে পরিপূর্ণ।
আরও পড়ুনঃ ফের কলকাতায় ঊর্ধ্বমুখী সংক্রমন, রাজ্য জুড়ে করোনা আক্রান্ত ৭৪৩ জন।


উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজের অধ্যক্ষ প্রদীপ্ত ভট্টাচার্য জানিয়েছেন, ৬ জন শিশুর শরীরে মিলল স্ক্রাব টাইফাসের জীবাণু পাশাপাশি সাত শিশুর শরীরে মিলেছে ডেঙ্গুর জীবাণু। তবে চিকিৎসক রা বলছেন, স্ক্রাব টাইফাস নিয়ে এখনই আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই। সাধারণ অ্যান্টিবায়োটিকেই স্ক্রাব টাইফাস থেকে সুস্থ হয়ে ওঠা যায়। হাসপাতাল সূত্রে খবর, জ্বরে আক্রান্ত ৬৫ শিশুর নমুনা পরীক্ষা করে ৬ জনের শরীরে মিলেছে স্ক্রাব টাইফাস, এবং ৭ জনের শরীরে মিলেছে ডেঙ্গুর জীবাণু।
এদিন এক ৩ মাসের শিশু প্রবল জ্বরে আক্রান্ত হয়ে মারা গিয়েছে। আজকের শিশু মৃত্যু নিয়ে শুধু জলপাইগুড়ি সদর হাসপাতালেই শিশু মৃত্যুর সংখ্যা দাড়াল ৩-এ। হাসপাতাল সূত্রে খবর, বুধবার জলপাইগুড়ি জেলা হাসপাতালে ৩ মাসের এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। ফলে ভাইরাল এই জ্বরে এখনও পর্যন্ত তিন শিশুর মৃত্যু হল জলপাইগুড়িতে। প্রবল গতিতে ছড়াচ্ছে ভাইরাল নিউমোনিয়া, হুহু করে শিশুরা আক্রান্ত হচ্ছে জলপাইগুড়িতে। হাসপাতাল সূত্র বলছে, প্রতিদিন প্রায় ৩০০ শিশুকে নিয়ে আসা হচ্ছে হাসপাতালে। যার মধ্যে ভর্তি হচ্ছে কমপক্ষে ৪০ জন।
৬ জন শিশুর শরীরে মিলল স্ক্রাব টাইফাসের জীবাণু



বুধবার জলপাইগুড়ি জেলা হাসপাতালে যায় পাঁচ সদস্যের মেডিকেল টিম। যার চরম উদবিঘ এইভাবে শিশুদের আক্রান্ত হওয়ার ঘটনায়। তাঁরা বলছেন এই জ্বর মূলত ভাইরাল ফিভার। কিন্তু চিন্তার বিষয় হল শিশুদের চিকিৎসার সামান্য দেরি হলেই সমস্যা বাড়ছে। যা সামলানো মুশকিল হচ্ছে চিকিৎসকদের। তবে এই জ্বরের প্রভাব যে শুধু জলপাইগুড়িতেই পড়েছে তা নয়। দুর্গাপুরেও জ্বর-সর্দি, কাশিতে আক্রান্ত চল্লিশের বেশি শিশু।







