নজরবন্দি ব্যুরোঃ জেলার পাশাপাশি কলকাতাতে শুরু হল রুটমার্চ, আগামি ২৭ মার্চ থেকে রাজ্যে শুরু ভোট গ্রহণ। মোট ৮ দফায় ২৯৪ টি কেন্দ্রে ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন ভোটাররা। এই নির্বাচনকে কার্যত নিখুঁত এবং সন্ত্রাস মুক্ত করার প্রচেষ্টায় নির্বাচন কমিশনের প্রতিনিধিরা নির্বাচনের দিন ঘোষণার আগেই দফায় দফায় ঘুরে গেছেন বাংলা থেকে। নির্দেশ দিয়ে গেছেন সর্বস্তরের প্রশাসনিক কর্তাদের। নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তায় মুড়ে ভোট করাতে বাংলায় ১২৫ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনীকে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছিল নির্বাচন কমিশন।
আরও পড়ুনঃ এবার থেকে বেসরকারি হাসপাতালে পাওয়া যাবে করোনা টিকা, দাম বেঁধে দিল কেন্দ্র


আর এই ১২৫ কোম্পানি আধাসেনার মধ্যে কয়েক দিন আগে ২ দফায় ১২ এবং ১০ অর্থাৎ মোট ২২ কোম্পানি বাহিনী এসে পৌঁছেছে রাজ্যে। দক্ষিন চব্বিশ পরগণা, বীরভূম, মালদা, মুর্শিদাবাদ সহ একাধিক জায়গায় শুরু হয়েছে রুট্মার্চ। ভোট চলাকালীন রাজ্যে খুঁটিনাটি জানার জন্য এবং কেন্দ্রীয় বাহিনীকে এলাকা চেনানোর জন্য কেন্দ্রীয় বাহিনির সঙ্গে রাজ্যের পুলিশ মিলে রুটমার্চ করেছেন একাধিক স্থানে। ভোট নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে থাকছে সিআরপিএফ, সিআইএসএফ, বিএসএফ, এসএসবি, আইটিবিপি জওয়ানরা।
ভোটের অনেক আগেই রাজ্যকে কার্যত নিরাপত্তার চাদরে মুড়ে ফেলতে চাইছে নির্বাচন কমিশন। কেন্দ্রীয় বাহিনী দুই ২৪ পরগনা, দুই মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, বাঁকুড়া, বীরভূমে টহলদারির কাজ করছিল আর এবার জেলার পাশাপাশি কোলকাতায় রুটমার্চ এবং এলাকায় টহলদারির জন্যে এসে পৌঁছাল ৩ কোম্পানি কেন্দ্রিয় বাহিনী।
জেলার পাশাপাশি কলকাতাতে শুরু হল রুটমার্চ, শনিবার রাতেই কলকাতায় নামে ৩ কোম্পানি আধাসেনা। তারপর আজ সকালেই কলকাতার বাইপাস সংলগ্ন কয়েকটি এলাকায় রুটমার্চ করতে দেখা যায় কেন্দ্রীয় বাহিনী কে। কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদের সাথে ছিলেন পুলিশ কর্মী, আধিকারিকরাও। এলাকায় এলাকায় বাড়ি বাড়ি ঘুরে বাহিনীর জওয়ানরা কথা বলেন আমজনতার সাথে।


উল্লেখ্য, রাজ্যে নজিরবিহীন ভাবে ৮ দফায় নির্বাচন করানোর জন্যে নির্বাচন কমিশনের রীতিমত সমালোচনা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন পুরোপুরি বিজেপি শীর্ষ নেতাদের কথায় পরিকল্পিত ভাবে ভোট সাজানো হয়েছে। অভিযোগের পাশাপাশি চেনা মেজাজে তৃণমূল সুপ্রিমো জানিয়ে দেন, “যতই ষড়যন্ত্র করুন, হারিয়ে ভূত করে দেব। খেলা হবেই…”







