নীতি আয়োগের দাবী অনুযায়ী গত ৯ বছরে প্রায় ২৫ কোটি মানুষ দারিদ্রের বৃত্তের বাইরে বেরিয়ে এসেছেন। নয়া রিপোর্টে ২০২২- ২০২৩ সাল পর্যন্ত পরিসংখ্যান তুলে ধরা হয়েছে। তবে সেই দাবী নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করছেন বিশেষজ্ঞরা। নয়া রিপোর্ট অনুসারে, ২০১৩ – ১৪ সালে ভারতের দারিদ্রের পরিমাণ ছিল ২৯.১৭ শতাংশ। বর্তমানে তা এসে দাঁড়িয়েছে ১১.১৮ শতাংশে।



আরও পড়ুন : কর্মসংস্থান নিয়ে কেন্দ্রের রিপোর্টে দেশে দ্বিতীয় সর্বনিম্ন বাংলা
গত ৯ বছরে ২৪. ৮২ কোটি মানুষ দারিদ্রের বৃত্তের বাইরে এসেছেন। তালিকায় শীর্ষে উত্তরপ্রদেশ সেখানে সংখ্যাটা ৫.৯৪ কোটি। তারপরেই বিহার ও মধ্যপ্রদেশ। এই দুই রাজ্যে তা যথাক্রমে ৩.৭৭ কোটি এবং ২.৩০ কোটি। এই সমীক্ষার রিপোর্টে কার্যত উচ্ছ্বসিত প্রধানমন্ত্রী। তবে ঠিক কি নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন বিশেষজ্ঞরা? বলা হচ্ছে, এই হিসেবের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত সূচক মাল্টিডাইমেনশনার পভার্টি ইন্ডেক্স বা এমপিআই সেই শতাংশের ওপর নির্ভর করে যা সরকারী সুযোগসুবিধা কত মানুষ পাচ্ছেন না।



৯ বছরে দেশে দারিদ্রমুক্তি ২৫ কোটির, নীতি আয়োগের রিপোর্টে সন্দেহপ্রকাশ অর্থনীতিবিদদের
এই প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে অবসরপ্রাপ্ত অর্থনীতি পরিষেবা আধিকারিক কে এল দত্ত বলছেন, ”এমপিআই কখনওই দারিদ্রের প্রতিনিধিত্ব করে না। সরকার এটাকে দারিদ্রের হিসেবের বিকল্প হিসেবে দেখাতে চাইছে। এটা ঠিক নয়।”অন্যদিকে অর্থনীতিবিদ ও সমাজকর্মী জঁ ড্রেজে জানাচ্ছেন, ”আমাদের এমপিআইয়ের তথ্যের সঙ্গে অন্যান্য সরকারি তথ্যও খুঁটিয়ে দেখতে হবে। কেননা এমপিআই তথ্য কখনওই দারিদ্র নির্ধারক হতে পারে না।”








