নজরবন্দি ব্যুরোঃ কেন্দ্রীয় বাহিনী নয়। কলকাতা পুরভোটে পুলিশ বাহিনীর ওপর ভরসা রেখেছে নির্বাচন কমিশন। কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, কলকাতা পুরভোটে মোতায়েন বিরাট পুলিশ বাহিনী। ২৩ হাজার পুলিশ দিয়ে হবে কলকাতা পুরভোট। প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে মোতায়েন থাকছে দু’জন করে সশস্ত্র পুলিশ বাহিনী। এছাড়াও ৭৮ টি কুইক রেসপন্স টিম।
আরও পড়ুনঃ কেন্দ্রীয় বাহিনী নয়, পুরভোট সামলাবে পুলিশ। ধনকড়ের আবেদন ওড়াল কমিশন


কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, ২৫ শতাংশ বুথে চলবে ভিডিওগ্রাফি অথবা সিসিটিভি। ২৮৬ টি সেক্টরে সশস্ত্র পুলিশ। ৭২টি আরটি মোবাইল। থাকবে ৩৫ টি রেডিও ফ্লাইং স্কোয়াড। ভোটের দিন কলকাতা পুলিশ এবং রাজ্য পুলিশের সমন্বয়ে নিরাপত্তায় জোর দিয়েছেন রাজ্য নির্বাচন কমিশনার।
আগামী ১৯ ডিসেম্বর কলকাতা পুরসভার ভোট। ১৪৪ টি ওয়ার্ডে নতুন করে কাউন্সিলর নির্বাচন প্রক্রিয়া হবে। ২১ ডিসেম্বর ফলপ্রকাশ। শুরু হয়ে গেছে মনোনয়ন পত্র জমা করার প্রক্রিয়া। সব মিলিয়ে ছোট লালবাড়ি দখলের লড়াইতে মাঠে নেমে পড়েছে লাল – সবুজ – গেরুয়া সব শিবিরই। এদিকে পুরভোটের আগে নিরাপত্তা ব্যাবস্থা চূড়ান্ত করতে সোমবার বৈঠকে বসেছিল নির্বাচন কমিশন। সেখানে ঠিক হয়, কেন্দ্রীয় বাহিনী নয়, পুরভোট সামলাবে পুলিশ।

পুরভোটে কেন কেন্দ্রীয় বাহিনী ব্যবহার করা হচ্ছে না? কমিশনকে ডেকে জিজ্ঞাসা করেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়। কমিশন সূত্রে খবর, রাজ্যপালকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, ‘কলকাতা পুরভোটে আপাতত দরকার নেই কেন্দ্রীয় বাহিনীর’। পুলিশের দেওয়া ব্লু প্রিন্টে আশ্বস্ত কমিশন। রাজভবন কে জানানো হয়েছে, সুষ্ঠু এবং শান্তিপূর্ণ ভোট করাতে ‘রাজ্য প্রশাসন পর্যাপ্ত নিরাপত্তা দিচ্ছে’। তাই কলকাতা ও রাজ্য পুলিশ দিয়ে পুরভোট করাতে সমস্যা নেই।


এবিষয়ে সাংবাদিক বৈঠকে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী জানিয়েছেন, সিআরপিএফ ছাড়া কলকাতায় পুরভোট করানো সম্ভব নয়। শুধুমাত্র কলকাতাতেই ৫০০ এর বেশী এফআইআর রয়েছে। গণনা নিয়েও আশ্বাস দিতে পারেনি কমিশন। কমিশন জানিয়েছে আদালতের জন্য অপেক্ষা করছে তাঁরা। এই ভোট হচ্ছে ছাপ্পা ভোটের একটা মেশিন। একসঙ্গে গননায় স্পষ্ট কিছু আশ্বাস দিতে পারেনি কমিশন।
কলকাতা পুরভোটে মোতায়েন বিরাট পুলিশ বাহিনী, কড়া নিরাপত্তা

পাল্টা কুণাল ঘোষের দাবী, বিজেপি চুড়ান্তভাবে পরাজিত হবে। এখন যা যা নাটক সরকার তাই করছে। বিধানসভায় কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করার পরেও মানুষের ভোটে পরাজিত হয়েছে তাঁরা। এখানে সমস্য নষ্ট না করে রাষ্ট্রসঙ্ঘে শান্তির কথা বলুন।







