Partha Chatterjee: একুশের ভোটের আগে কত সম্পত্তি ছিল? ভোটের হলফনামায় কি জমা দিয়েছিলেন পার্থ?

নজরবন্দি ডিজিটাল ডেস্ক

নজরবন্দি ব্যুরোঃ শিক্ষক দুর্নীতি মামলার তদন্ত চালাচ্ছে দুই কেন্দ্রীয় সংস্থা। সিবিআই এর পশাপাশি ইডি-কেও তদন্তভার সঁপেছে আদালত। তারপর বড় ব্রেক থ্রু, টালিগঞ্জে ২১ কোটি ৯০ লাখ নগতের পর বেলঘরিয়ায় পাওয়া গিয়েছে ২৭ কোটি ৯০ লক্ষ টাকা। সূত্রের খবর, ইডিকে যাবতীয় তথ্য দিয়েছেন অর্পিতা। দিয়েছেন নামের তালিকা। স্বীকার করে নিয়েছেন তাঁর ঘরে টাকা রেখেছিলেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়। কিন্তু পার্থর টাকা, সম্পত্তি কোথায়? কি বলছে ভোটে জমা দেওয়া হলফনামা?

আরও পড়ুনঃ SSC-তে চাকরির নামে টাকা তুলে ফ্ল্যাট ব্যবসায় ঢেলেছেন পার্থ, বিস্ফোরক নথি উদ্ধার ED-র

একুশের বিধানসভা ভোটে দাঁড়ানোর আগে পর্যন্ত যে পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের নামে ফ্ল্যাট-বাড়ি-গাড়ি-গয়না কিছুই ছিল না, এ হেন সেই ব্যক্তিই এখন টাকার পাহাড়ের মালিক! অন্তত অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের বয়ান তাই বলছে। অর্পিতা ইডিকে বলেছেন, উদ্ধার হওয়া ৫০ কোটি তাঁর নয়। সব টাকাই পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের। পার্থ বাবুর লোকজন এসে টাকা রেখে যেন তাঁর ফ্ল্যাটে। তিনি জানতেন না কত টাকা রয়েছে।

একুশের ভোটের আগে কত সম্পত্তি ছিল? ভোটের হলফনামায় কি জমা দিয়েছিলেন পার্থ?
একুশের ভোটের আগে কত সম্পত্তি ছিল? ভোটের হলফনামায় কি জমা দিয়েছিলেন পার্থ?

এই পার্থ চট্টোপাধ্যায় মাত্র এক বছর আগে ভোটের হলফনামায় সম্পত্তির যা হিসেব দিয়েছিলেন তা দেখলে বিশ্বাস করা সম্ভব হবেনা এত সম্পত্তির মালিক পার্থ চট্টোপাধ্যায়। কী ছিল সেই হলফনামায়? ২০২১-এর বিধানসভা ভোটের আগে পর্যন্ত পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের দেওয়া হলফনামা অনুযায়ী, তাঁর হাতে ছিল নগদ ১ লক্ষ ৪৮ হাজার ৬৭৬ টাকা। দুটি ব্যাঙ্কের মোট চারটি শাখায় তাঁর ফিক্সড ডিপোজিট ও সেভিংস অ্যাকাউন্টে টাকা ছিল। সেই টাকার পরিমাণ যথাক্রমে ২৪ লক্ষ ৮১ হাজার, ২৩ লক্ষ ৩২ হাজার ৯৩৫, ১৫ লক্ষ ১ হাজার ১৬১ ও ১ লক্ষ ৮ হাজার ৬৯।

একুশের ভোটের আগে কত সম্পত্তি ছিল, ভোটের হলফনামায় কি জমা দিয়েছিলেন পার্থ?

partha 1 2

একুশের ভোটের আগে জমা দেওয়া হলফনামায় ২০১৯-২০ আর্থিক বছরে পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের মোট আয় ছিল ৫ লক্ষ ৩৯ হাজার ৭২০ টাকা। তিনি হলফনামায় দাবি করেছিলেন, যে তাঁর কাছে সোনা-হীরে-প্ল্যাটিনামের গয়না নেই। এছাড়াও পার্থের জমা দেওয়া হলফনামায় বলা হয়েছে, তাঁর নামে কোথাও কোনও ঋণও নেই। পার্থের হলফনামা অনুযায়ী, তাঁর মোট স্থাবর সম্পত্তির পরিমাণ ছিল ৯০ লক্ষ ৯৪ হাজার ৮৬৩ টাকা।

patha

শুধু তাই নয়, পার্থ জানিয়েছিলেন, তাঁর নিজস্ব আয়ে কেনা কোনও জমি-বাড়ি বা ফ্ল্যাট নেই। শুধুমাত্র পারিবারিক সূত্রে পাওয়া নাকতলায় একটি বাড়ি রয়েছে। ১৯৮৯ সালে ওই বাড়িটি তৈরি হয়েছিল, বানিয়েছিলেন পার্থ বাবুর বাবা। তৎকালীন মূল্যে সেই বাড়িটি তৈরি করতে খরচ পড়েছিল মোট ৬ লক্ষ টাকা। আর ২০২১-এর বাজারদর অনুযায়ী ওই বাড়িটির আনুমানিক মূল্য ছিল ২৫ লক্ষ টাকা।

সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহুর্তে। আমাদের ফলো করুন
Google News Google News

সদ্য প্রকাশিত