SSC Scam: উদ্ধার হওয়া ৫০ কোটি টাকা পার্থর, জড়িয়ে অনেক প্রভাবশালী, রাজসাক্ষী হতে চান অর্পিতা।

নজরবন্দি ডিজিটাল ডেস্ক

নজরবন্দি ব্যুরোঃ হেফাজতে পাওয়ার পর থেকেই দফায় দফায় অর্পিতা মুখোপাধ্যায় এবং পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে জেরা করছেন ইডি আধিকারিকরা। ইডি সূত্রে দাবি, পার্থ চট্টোপাধ্যায় তদন্তে কোনরকম সহযোগীতা না করলেও ভালরকম সঙ্গ দিচ্ছেন অর্পিতা। তিনি গুরুত্বপূর্ণ কিছু তথ্য দিয়েছেন। তাঁর কথার সূত্র ধরেই গতকাল ২৮ কটি টাকা উদ্ধার করেছে ইডি। সাথে উদ্ধার করা হয়েছে ৩ কেজি সোনা। অনেক রৌপ মূদ্রা। যেগুলির বাজার মূল্য প্রায় ২ কোটি টাকা।

আরও পড়ুনঃ পার্থর ভুলের মাশুল দিতে হবে দলকে? বেজায় ক্ষুব্ধ ‘তৃণমূল’ কর্মীরা।

টালিগঞ্জে ২১ কোটি ৯০ লাখ নগতের পর বেলঘরিয়ায় পাওয়া গিয়েছে ২৭ কোটি ৯০ লক্ষ টাকা। গতকাল একদিকে যখন টাকার গননা চলছিল তখন অন্যদিকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছিল অর্পিতাকে। সেই জিজ্ঞাসাবাদের ইডির সামনে মুখ খোলেন অর্পিতা। সূত্রের খবর, ইডিকে যাবতীয় তথ্য দিয়েছেন অর্পিতা। দিয়েছেন নামের তালিকা। স্বীকার করে নিয়েছেন তাঁর ঘরে টাকা রেখেছিলেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়।

taka 2 1

টালিগঞ্জের ফ্ল্যাট থেকে ২১ কোটি ৯০ লক্ষ নগত, ৭৩ লক্ষ টাকার গয়না উদ্ধার করেছিল ইডি। গতকাল বেলঘরিয়ার ফ্ল্যাট থেকে পাওয়া গিয়েছে ২৭ কোটি ৯০ লাখ নগত, ৩ কেজি সোনা এবং অনেক রৌপ মূদ্রা। অর্পিতার দাবি এই সব টাকা পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের। জিজ্ঞাসাবাদে অর্পিতা স্বীকার করেছেন যে TET এবং SSC শিক্ষক নিয়োগ, ট্রান্সফার পোস্টিং এবং কলেজে স্বীকৃতি পাওয়ার পরিবর্তে এই ঘুষ নেওয়া হয়েছিল।

পার্থ বাবুর বাড়ি থেকেও মিলেছে অর্পিতার সাথে লেনদেনের গুরুত্বপূর্ণ নথি। অর্পিতার ফ্ল্যাট থকেও উদ্ধার হয়েছে শিক্ষা দফতরের নাম লেখা একটি ডাইরি। আন্দাজ করা হচ্ছে কমপক্ষে ১২০ কোটি টাকার স্ক্যাম হয়েছে। অর্পিতা দাবি করেছেন যে তার বাড়ি গুলি “মিনি ব্যাংক” হিসাবে ব্যবহার করেছিলেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়। তবে পার্থ ছাড়াও জড়িয়ে রয়েছেন রাজ্যের অনেক হেভিওয়েট। সেই নামের তালিকাও তিনি দিয়েছেন ইডির কাছে বলে দাবি সূত্রের। সূত্র বলছে, অর্পিতা রাজসাক্ষী হওয়ার কথা বলেছেন জেরার মধ্যেই।

উদ্ধার হওয়া ৫০ কোটি টাকা পার্থর, জড়িয়ে অনেক প্রভাবশালী, রাজসাক্ষী হতে চান অর্পিতা।

উদ্ধার হওয়া ৫০ কোটি টাকা পার্থর, জড়িয়ে অনেক প্রভাবশালী, রাজসাক্ষী হতে চান অর্পিতা।
উদ্ধার হওয়া ৫০ কোটি টাকা পার্থর, জড়িয়ে অনেক প্রভাবশালী, রাজসাক্ষী হতে চান অর্পিতা।

ইডিকে অর্পিতা বলেছেন,  ‘টালিগঞ্জ ও বেলঘরিয়ায় উদ্ধার হওয়া টাকা পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের। পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের কর্মীরা এসে ফ্ল্যাটে টাকা রেখে যেত। টাকা রাখছে জানতাম, কত টাকা রাখা হচ্ছে জানতাম না। মাঝে মাঝে ফ্ল্যাটে আসতেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়, ‘সেই ঘরে ঢুকতেন, তখন আমি যেতাম না’। অর্পিতার দাবি তিনি শুধু একা নন, তাঁর মত পার্থ বাবুর আরও এক সঙ্গিনী আছেন। যার বাড়িতেও রয়েছে টাকা।

সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে

Google News Google News এবং Google Discover Google Discover -এ নজরবন্দি-কে Follow করে রাখুন।

আরও পড়ুন