নজরবন্দি ব্যুরোঃ দলনেত্রীই তাঁদের কাছে আদর্শের সুমহান প্রতিষ্ঠান। মাঝে প্রচুর পদাধিকারিরা থাকলেও দলনেত্রীর নির্দেশকে শিরোধার্য করে চলেছেন তাঁরাই। তাঁরাই যে আসল তৃণমূল একথা স্পষ্ট বুঝিয়ে দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আজ দলেরই এক নেতার নাম দুর্নীতিতে জড়ানোয় মন ভেঙেছে কর্মীদের। অনেকেই মনে করছেন এবার নতুন করে ভাববার সময় চলে এসেছে। তবে কী এবার পার্থর কারণে তৃণমূলে ভাঙন? প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।
আরও পড়ুনঃ এখনো পর্যন্ত ৩৫ কোটি টাকা উদ্ধার, গননা চলছে এখনও, জড়িয়ে গেল সৌগতর নাম!



সমস্ত প্রতিকুলতাকে উপেক্ষা করে দলের মিটিং, মিছিল সমাবেশের কর্মীদের সবথেকে বেশী দায়িত্ব থাকে। আবার জনসংযোগের মূল দায়িত্ব থাকে তাঁদের কাছেই। পকেট থেকে টাকা খসিয়ে দিনের পর করে যাচ্ছেন লড়াই। আজ দলের মহাসচিবের ঘনিষ্ঠর বাড়ি থেকে কোটি কোটি টাকা দেখে বেজায় ক্ষুব্ধ তাঁরা।



বছর ঘুরলে পঞ্চায়েত নির্বাচন৷ এই নির্বাচনে সবচেয়ে বেশী দায়িত্ব থাকে নীচু তলার কর্মীদের। অথচ এখন থেকেই মানুষের মধ্যে তৃণমূল নিয়ে বিরূপ প্রতিক্রিয়া শুরু হয়েছে। কীভাবে বাড়ি বাড়ি গিয়ে প্রচার করবেন তাঁরা। প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে ইতিমধ্যেই।
পার্থর ভুলের মাশুল দিতে হবে দলকে? বেজায় ক্ষুব্ধ ‘তৃণমূল’ কর্মীরা

কর্মীদের এই ক্ষোভের আঁচ পেয়েছেন ব্লক স্তরের নেতারাও। ব্লক স্তরের নেতাদের অধিকাংশের বক্তব্য, তাঁরাও এবিষয়ে দলনেত্রীর দিকে তাকিয়ে রয়েছে। দলের তরফে যে সিদ্ধান্ত দেওয়া হবে সেটাই মেনে চলবেন তাঁরা।
আগামীকাল কেবিনেট বৈঠকে বসছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। উপস্থিত থাকবেন দলের শীর্ষ নেতৃত্ব। সেখানেই পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে নিয়ে বড়সড় সিদ্ধান্ত নিতে চলেছে শাসক দল।







