নজরবন্দি ব্যুরোঃ বিজেপি-কে বড় ধাক্কা! গুরুং-এর হাত ধরে মোর্চায় যোগ পাহাড়ের ১৭ কাউন্সিলারের। তিনবছর আত্মগোপন থাকার পর পুজোর আগে প্রকাশ্যে আসেন বিমল গুরুং। তারপর থেকেই বিমল গুরুংয়ের বিরোধীতায় পাহাড়ের একাধিক জায়গায় মিছিল করেন বিনয়পন্থী মোর্চা নেতা কর্মীরা। বিমল গুরুংয়ের বিরোধীতায় দার্জিলিং, কালিম্পঙে মিছিল বের হয়। কিন্তু শেষ পর্যন্ত কিছুই কাজে এলনা। পাহাড় বোঝাল আজও তাঁরা আছে বিমল গুরুং-এর সাথেই।
আরও পড়ুনঃ আদিবাসীর বাড়ি ভোজ খেয়ে বাংলায় ট্যুইট! বঙ্গে ভোটের ডঙ্কা বাজালেন অমিত।


বিজেপি-কে বড় ধাক্কা! এদিন দার্জিলিং মিউনিশিপ্যাল কর্পোরেশনের ১৭ জন বিজেপি কাউন্সিলার বিমল গুরুং-এর হাত ধরে যোগ দিলেন গোর্খা জনমুক্তি মোর্চায়। বিমল গুরুন সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, বিজেপি এতদিন তাঁদের যে আশা দেখিয়ে ক্ষমতার স্বাদ নিচ্ছিল তা পূরন করেনি। তাই বিজেপি-র হাত ছাড়লেন এই ১৭ কাউন্সিলার। বিমল জানিয়েছেন মমতা বন্দোপাধ্যায় এর ওপর ভরসা আছে, তাই এবার থেকে তৃণমূল কে সমর্থন করবে গোর্খা জনমুক্তি মোর্চা।
উল্লেখ্য, পাহাড়ের গোর্খাল্যান্ড আন্দোলনের সময় বিমলের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রুজু হয়। তারমধ্যে বহু জামিন অযোগ্য ধারাও রয়েছে। এই অবস্থায় বিমল গুরুং প্রকাশ্যে আসলেও পাহাড়ে কবে ফিরবেন তা নিয়ে এখনও স্পষ্ট কিছু বলেননি। তারইমধ্যে তার বিরুদ্ধে মিছিলে ঘিরে পাহাড়ের রাজনীতি এখন বেশ সরগরম।
প্রসঙ্গত, বিমল গুরুং যেদিন অজ্ঞাতবাস থেকে বেরিয়ে প্রকাশ্যে সাংবাদিকদের মুখমুখি হন। সেই দিনেই পোস্টার পড়ে পাহাড়ে। তাতে লেখা ছিল গুরুং পাহাড়ে প্রবেশ করলে রক্তের ধারায় ভাসবে তিস্তা নদী! এদিকে ইউএপিএ ধারা সহ একাধিক মামলায় অভিযুক্ত বিমল গুরুং ৩ বছর পর প্রকাশ্যে এসে সল্টলেকের গোর্খা ভবনে যান। সেখানে বাধা পেয়ে সোজা চলে আসেন ললিত গ্রেট ইস্টার্ন হোটেলে। সেখানেই সন্ধেবেলা সাংবাদিক সম্মেলন করেন তিনি।









