নজরবন্দি ব্যুরোঃ বিশ্বভারতীর উপাচার্য বিদ্যুৎ চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে বিগত ৫ বছরে ১৫০টি মামলা জমা পড়েছে। কেন একজন উপাচার্যের বিরুদ্ধে এত অভিযোগ দায়ের হয়েছে, তা জানতেই এবার কেন্দ্রীয় মানব উন্নয়ন মন্ত্রককে খতিয়ে দেখার নির্দেশ দিলেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। মূলত রাষ্ট্রপতিভবনের তরফে একটি চিঠি দিয়ে কেন্দ্রীয় মানব উন্নয়ন মন্ত্রককে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
আরও পড়ুনঃ কেন্দ্রে দোস্তি রাখতে রাজ্যে কী সভাপতির পরিবর্তন কংগ্রেসের? জল্পনা তুঙ্গে


প্রসঙ্গত, বছর পাঁচেক আগে লালমাটির দেশের ঐতিহ্যবাহী বিশ্ববিদ্যালয় বিশ্বভারতীর উপাচার্য হিসাবে দায়িত্ব পান বিদ্যুৎ চক্রবর্তী। কিন্তু, ক্রমেই তাঁর বিরুদ্ধে নানান অভিযোগে সরব হতে থাকেন পড়ুয়া, অধ্যাপক এবং আবাসিকদের একাংশ। সূত্রের খবর, বিগত ৫ বছরে ১৫০ টি মামলা দায়ের হয়েছে বোলপুর সিউড়ি জেলা আদালত, বোলপুর মহাকুমা আদালত ও কলকাতা হাইকোর্টে।

পাশাপাশি, রাষ্ট্রপতির কাছেও দায়ের হয়েছে অনেক সংখ্যক অভিযোগ। বিশ্বভারতী যেহেতু কেন্দ্রের অধীন। তাই এই বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিদর্শক রাষ্ট্রপতি। উপাচার্যের বিরুদ্ধে লাগাতার কেন এত অভিযোগ দায়ের হচ্ছে, তা খতিয়ে দেখার জন্যই কেন্দ্রীয় মানব উন্নয়ন মন্ত্রককে নির্দেশ দিল রাষ্ট্রপতিভবন। কী কী অভিযোগ রয়েছে উপাচার্যের বিরুদ্ধে?



বিশ্বভারতীর উপাচার্যের বিরুদ্ধে ৫ বছরে ১৫০ মামলা! খতিয়ে দেখার নির্দেশ খোদ রাষ্ট্রপতির
উপাচার্যের প্রথম বিরোধ শুরু হয় বোলপুরের ব্যবসায়ী সমিতির সঙ্গে। কারণ, তিনি পৌষমেলা বন্ধ করে দেন। ব্যবসায়ীরা বোলপুর থানা অভিযোগও দায়ের করেন। তারপর অধ্যাপককে জাতিবিদ্বেষমূলক মন্তব্য, গবেষক ছাত্রীকে নিরাপত্তারক্ষীকে দিয়ে হেনস্থা মত নানা অভিযোগ রয়েছে বিদ্যুৎ চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে। সাম্প্রতিক সময়ে অমর্ত্য সেনকে উচ্ছেদ নোটিশ দেওয়াকে কেন্দ্র করেও বিতর্ক হয়েছে।









