নজরবন্দি ব্যুরোঃ ইন্দ্রনীল সেনের উদ্যোগে ভ্যাকসিন পৌঁছাল ১০৫ বছর বয়সী হেমেন্দ্র বাবুর দুয়ারে। হুগলীর চন্দননগরে ‘দুয়ারে ভ্যাকসিন’ পরিষেবা চালু করেছেন বিধায়ক তথা রাজ্যের মন্ত্রী ইন্দনীল সেন। করোনা কালে এই উদ্য়োগের ফলে উপকৃত হচ্ছেন বয়স্ক মানুষজন। মূলত চন্দননগরের ৮০ উর্দ্ধ প্রবীন নাগরিকদের টিকাকরনের জন্যে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বিধায়ক তথা মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেনের উদ্যোগে ও চন্দননগর পৌরনিগমের সহযোগিতায় আয়োজিত হয়েছে “দুয়ারে ভ্যাকসিন” কর্মসূচী।
আরও পড়ুনঃ অল্প ছাড় গণপরিবহনে, শনির সকাল থেকে দু’বেলায় শহরে চলবে মোট ২০টি মেট্রো


টিকাকরন চলছে বেশ কয়েকদিন ধরে কিন্তু আজ যা ঘটল তাতে উচ্ছ্বসিত টিকাপ্রদানকারী থেকে এলাকাবাসী সবাই। এদিন চন্দননগর ২৪নং ওয়ার্ডের ১০৫ বছর বয়সী হেমেন্দ্রনাথ মুখার্জী’কে টিকা দেওয়া হয় তাঁর বাড়িতে গিয়ে। শুধু টিকা নয় টিকার সাথে লাকার সব থেকে প্রবীণ নাগরিকের হাতে পুষ্পস্তবক তুলে দেন মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেনের প্রতিনিধিরা।
বাড়িতে গিয়ে করোনা ভ্যাকসিন প্রদানের সাথে পুস্প স্তবক দিয়ে সম্মান জানানোয় আপ্লুত হেমেন্দ্র বাবু সহ তাঁর পরিবার এবং পড়শিরা। চন্দননগর পৌরনিগম এবং মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেনের প্রতিনিধিরা জানান, “দুয়ারে ভ্যাকসিন” কর্মসূচীর শুরুর দিন থেকে এখনো পর্যন্ত ভ্যাকসিন প্রদানের ক্রমপর্যায়ে আজ যা ঘটল! তাতে অভিভূত আমরা। টিকা প্রদানের পর ১০৫ বছর বয়সী হেমেন্দ্রনাথ বাবুর মুখে যে হাসি ফুটে উঠল তা মন ছুয়ে যায়। এভাবেই টিকাকরন চলবে।”
চন্দননগরের ২৪নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা হেমেন্দ্র বাবুর পরিবারের পক্ষ থেকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং বিধায়ক ইন্দ্রনীল সেনের প্রতি কৃতজ্ঞতা ব্যাক্ত করে জানান, “এই ভাবেই সফল ভাবে সুন্দর ও সুস্থ হয়ে এগিয়ে যাক পিতৃ ও মাতৃতুল্য সকল প্রবীণ নাগরিকরা। সুস্থতার পথে হাত বাড়ানো থাকুক ইন্দ্রনীল সেন মহাশয় এর মতো উদার মানুষের। সবার উপরে থাকুক মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুপ্রেরণা ও স্নেহপরায়ণ দৃষ্টি।”


ইন্দ্রনীল সেনের উদ্যোগে ভ্যাকসিন পৌঁছে যাচ্ছে চন্দননগরের অশীতিপরদের দুয়ারে। এই বিষয়ে এক স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, “এই বয়সে ভ্যাকসিন সেন্টারে গিয়ে এঁদের টিকা নিতে খুবই অসুবিধা হচ্ছিল। আমরা বিশেষ উপকৃত হলাম। ভীষণ আনন্দিত সবাই। এতদিন লাইনে দাঁড়িয়েও নো ভ্যাকসিন, ভ্যাকসিন শেষ হয়ে গিয়েছে, এসব শুনতে হয়েছে। বিধায়কের সহযোগিতায় এখন বাড়িতেই ভ্যাকসিন আসছে। আমরা কৃতজ্ঞ।”







