১০০ দিনের ‘শ্বেতপত্র’ বিতর্কের মধ্যে ১৩ টাকা বাড়ছে মজুরি, কমিশনে যাচ্ছে শাসকদল!

নির্বাচন কমিশনের দারস্থ হচ্ছে শাসক শিবির। এর পাল্টা বিজেপির দাবী বাজেটেই ঘোষণা করা হয়েছিল সেটা শুধু কার্যকর করা হয়েছে।

নজরবন্দি ডিজিটাল ডেস্ক

লোকসভা নির্বাচনের আগে বড় সিদ্ধান্ত মোদী সরকারের। সূত্রের খবর, ভোটের আবহে ১০০ দিনের মজুরি বাড়ানো হবে। দেশের দরিদ্র মানুষ কাজ করেও যাতে শোষিত না হয় সেই জন্য দেশে চালু হয়েছে ‘ন্যুনতম মজুরি।’ এর উপর ভিত্তি করেই নির্ধারিত হয় মনরেগা প্রকল্পের মজুরি। সংশোধিত তালিকা অনুযায়ী, পশ্চিমবঙ্গে মনরেগা প্রকল্পে দৈনিক মজুরি ২৩৭ টাকা থেকে বাড়িয়ে ধার্য করা হয়েছে ২৫০ টাকা।

১০০ দিনের 'শ্বেতপত্র' বিতর্কের মধ্যে ১৩ টাকা বাড়ছে মজুরি, কমিশনে যাচ্ছে শাসকদল!
১০০ দিনের ‘শ্বেতপত্র’ বিতর্কের মধ্যে ১৩ টাকা বাড়ছে মজুরি, কমিশনে যাচ্ছে শাসকদল!

আরও পড়ুন : নজরে মহিলা ভোট! তিনটি নতুন কর্মসূচী ঘোষণা শাসকদলের

আগামী ১ এপ্রিল থেকে এই মনরেগার বর্ধিত টাকা কার্যকর করা হতে চলেছে। এই প্রকল্পের অধীনে ১০০ দিনের টাকা পান জবকার্ড হোল্ডাররা। এই ১০০ দিনের টাকা দেওয়া হচ্ছে না বলে কেন্দ্রীয় বঞ্চনার অভিযোগে দিল্লী পর্যন্ত গিয়েছে শাসকদল। এবার সেই প্রকল্পেই বাড়ানো হল টাকা। বুধবার এই মর্মে বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার।

 তবে ভোটের আগে এই ঘোষণায় আপত্তি জানিয়ে আদর্শ আচরণ বিধি ভঙ্গের অভিযোগে নির্বাচন কমিশনের দারস্থ হচ্ছে শাসক শিবির। এর পাল্টা বিজেপির দাবী বাজেটেই ঘোষণা করা হয়েছিল সেটা শুধু কার্যকর করা হয়েছে। ইতিমধ্যে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ১০০ দিনের কাজের প্রকল্পের শ্বেতপত্র নিয়ে নিজের এক্স হ্যান্ডেলে লিখেছেন,

১০০ দিনের ‘শ্বেতপত্র’ বিতর্কের মধ্যে ১৩ টাকা বাড়ছে মজুরি, কমিশনে যাচ্ছে শাসকদল !

“প্রায় দু’সপ্তাহ, ৩৫০ ঘণ্টা হয়ে গেল। কিন্তু বিজেপি এখনও আবাস এবং ১০০ দিনের কাজ নিয়ে শ্বেতপত্র প্রকাশে আমার চ্যালেঞ্জ গ্রহণে এগিয়ে এল না।” এর পাল্টা প্রতিক্রিয়া দিয়ে রাজ্য বিজেপির মুখপাত্র শমীক ভট্টাচার্য বলেন, “আসলে তৃণমূল অন্তঃসারশূন্য হয়ে পড়েছে। তৃণমূল রাজনৈতিক ইস্যুহীনতায় ভুগছে।”

সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহুর্তে। আমাদের ফলো করুন
Google News Google News

সদ্য প্রকাশিত