সল্টলেকের যুবভারতী স্টেডিয়ামে লিওনেল মেসির অনুষ্ঠান ঘিরে বিশৃঙ্খলার তদন্তে নতুন মোড়। শুক্রবার ভোরে ধৃত মূল আয়োজক শতদ্রু দত্তের হুগলির রিষড়ার বাড়িতে হানা দিল বিধাননগর পুলিশ কমিশনারেট। তদন্তের স্বার্থেই এই অভিযান বলে পুলিশ সূত্রে খবর।
ভোর প্রায় ছ’টা নাগাদ রিষড়া পার্ক এলাকার ‘চারু সুধা’ নামে পরিচিত শতদ্রুর বাড়িতে পৌঁছন বিধাননগর পুলিশ কমিশনারেটের আধিকারিকরা। তাঁদের সঙ্গে রিষড়া থানার পুলিশও ছিল বলে জানা গিয়েছে। পুলিশ সূত্রের খবর, যুবভারতীতে ঘটে যাওয়া ভাঙচুর ও বিশৃঙ্খলার ঘটনায় প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহের জন্যই এই তল্লাশি ও জিজ্ঞাসাবাদ। প্রায় তিন ঘণ্টা ধরে পুলিশ আধিকারিকরা শতদ্রুর বাড়িতে ছিলেন।


এরপর বিধাননগর পুলিশের একটি দল রিষড়া থানা হয়ে ফের সল্টলেকের দিকে রওনা দেয়। তবে ঠিক কী কী তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে, সে বিষয়ে এখনই কোনও মন্তব্য করতে রাজি হয়নি পুলিশ।

পুলিশি তল্লাশির সময় শতদ্রুর পরিবারের সদস্যরাও উপস্থিত ছিলেন। তবে তাঁরাও এই বিষয়ে সংবাদমাধ্যমের সামনে কোনও প্রতিক্রিয়া দিতে চাননি।
উল্লেখ্য, ১৩ ডিসেম্বর যুবভারতী স্টেডিয়ামে লিওনেল মেসিকে দেখার আশায় হাজির হয়েছিলেন হাজার হাজার দর্শক। কিন্তু শেষ পর্যন্ত মেসির মাঠে না আসাকে ঘিরে ক্ষোভ ছড়ায়। পরিস্থিতি দ্রুত উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এবং স্টেডিয়ামে ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। এরপরই ওই অনুষ্ঠানের মূল উদ্যোক্তা হিসেবে শতদ্রু দত্তকে গ্রেপ্তার করে বিধাননগর পুলিশ।


যুবভারতীর ঘটনায় ইতিমধ্যেই কলকাতা হাইকোর্টে তিনটি জনস্বার্থ মামলা দায়ের হয়েছে।
এক মামলায় দর্শকদের টিকিটের টাকা ফেরত দেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে। এই মামলাগুলির প্রেক্ষিতে আদালত কী নির্দেশ দেয়, তার দিকেই এখন নজর প্রশাসন ও সাধারণ মানুষের। তদন্ত এগোনোর সঙ্গে সঙ্গে এই ঘটনায় আরও তথ্য সামনে আসতে পারে বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।







