নজরবন্দি ব্যুরোঃ একসময় ছিলেন সর্বভারতীয় কংগ্রেসের যুব নেত্রী। তারপর দল ভেঙ্গে তৈরি করলেন তৃণমূল কংগ্রেস। ২০১১ সালে ক্ষমতায় এলেন কংগ্রেসের সঙ্গে জোট করে। রাজনৈতিক পরিস্থিতি বদলে জাতীয় রাজনীতিতে পা বাড়িয়েছেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু কংগ্রেস ছাড়াই এবার চলার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি। জাতীয় রাজনীতিতে কংগ্রেসকে কংগ্রেসকে ছাড়া মোদিকে হটানো অসম্ভব আরও একবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে স্মরণ করিয়ে দিলেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর রঞ্জন চৌধুরী।
আরও পড়ুনঃ জ্বালানি তেলের কর মাফ করুক রাজ্য, মমতাকে চিঠি অধীরের


রবিবার মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে কংগ্রেসের ‘জন জাগরন’ কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন বহরমপুরের কংগ্রেস সাংসদ। সেখান থেকেই তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে কটাক্ষ করে মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, যখন ইন্দিরা গান্ধীর সরকারের জনপ্রিয়তা ছিল তখন আপনি কংগ্রেসের টিকিটে সাংসদ হয়েছিলেন।
প্রথমবার ইউপিএ সরজকারে মন্ত্রী হলেন। ২০১১ সালে কংগ্রেসের সঙ্গে জোট হয়েছিল। সোনিয়া গান্ধী, প্রণব মুখ্যোপাধ্যায়ের মতো নেতৃত্বরা সেবার উপস্থিত থেকে আপনি মুখ্যমন্ত্রী হয়েছিলেন। এখন কংগ্রেস উচ্ছেদের কথা বলছেন?
তিনি আরও বলেন, মুখ্যমন্ত্রী বলছেন কংগ্রেসকে উচ্চেদ করবে। প্রধানমন্ত্রী বলছেন কংগ্রেসকে উচ্ছেদ করবেন। ভারতের বিরোধীদের ৬৩ শতাংশ ভোটের ২০ শতাংশ পেয়েছে কংগ্রেস। সেখানে মাত্র ৪ শতাংশ পেয়েছে তৃণমূল। এখন উপনির্বাচনে কংগ্রেস একাধিক আসন পাচ্ছে তখন আপনি কংগ্রেসকে খুশি করতে চাইছেন। কংগ্রেস হল আসলে শিক্ষা, সংস্কৃতি, কৃষ্টি। আপনি কংগ্রেসকে উপেক্ষা করে কিছুই করতে পারেন না। কংগ্রেস দুর্বল হতে পারে আবার সবল হতে পারে কিন্তু কংগ্রেসকে উপেক্ষা করে বড় হওয়া সম্ভব নয়।


কংগ্রেসকে ছাড়া মোদিকে হটানো অসম্ভব, ২৪ এ ভেস্তে যেতে পারে পরিকল্পনা!

উল্লেখ্য, বাংলায় তৃতীয়বার ক্ষমতায় আসার পরেই জাতীয় রাজনীতিতে পা বাড়িয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল। গোয়া-ত্রিপুরা-অসমের মতো রাজ্যে সংগঠন বাড়তে গিয়ে কংগ্রেস থেকে দল ভাঙাতে হচ্ছে তৃণমূলকে। তাতেই বেজায় চটেছেন কংগ্রেস নেতারা। কংগ্রেসকে ছাড়া মোদিকে হটানো অসম্ভব। এমনটাই দাবী কংগ্রেস নেতাদের।







