লোকসভার প্রাক্কালে জানুয়ারীর দ্বিতীয় সপ্তাহ থেকে শুরু হবে রাহুল গান্ধীর ‘ভারত জোড়ো ন্যায় যাত্রা’। মণিপুরের রাজধানী ইম্ফল থেকে যাত্রা শুরু করে আগামী ২৭ জানুয়ারি থেকে ২৯ জানুয়ারির মধ্যে গুয়াহাটি থেকে কোচবিহার হয়ে পশ্চিমবঙ্গে প্রবেশ করবে এই যাত্রা, এমনটাই কংগ্রেস সূত্রে খবর। শিলিগুড়ি আসবেন রাহুল গান্ধী। তাহলে সেখানে কি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ হবে তাঁর?
আরও পড়ুন: ফের প্রকাশ্যে বন্দ্যোপাধ্যায় বনাম গঙ্গোপাধ্যায় দ্বন্দ্ব! বিচারপতির বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে অভিষেক
এ রাজ্যে আসন বন্টন নিয়ে কংগ্রেস-তৃণমূল দ্বন্দ্ব চলছে। সেই আবহেই আসছেন রাহুল গান্ধী। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে তাঁর সাক্ষাৎ হবে কি হবে না সে বিষয়ে অবশ্য মুখে কুলুপ হাত শিবিরের। তবে জানা গিয়েছে, ভারত জোড়ো ন্যায় যাত্রা শিলিগুড়ির কাওয়াখালি এলাকায় প্রবেশ করবে। সেখানে রাহুল এবং দিল্লির শীর্ষ নেতাদের থাকার তাঁবু ও ক্যারাভ্যান-সহ একাধিক শিবিরের ব্যবস্থা করা হবে। পরদিন নকশালবাড়ি হয়ে বিহারের গলবলিয়ায় চলে যাবে ভারত জোড়ো ন্যায় যাত্রা। কাওয়াখালিতে একটি কর্মিসভার আয়োজন করতে চেয়ে দিল্লিতে আবেদন করেছে প্রদেশ কংগ্রেস।

রাহুল গান্ধীর রাজ্যে আগমনকে কেন্দ্র করে বুধবার শিলিগুড়িতে বৈঠকে বসেন উত্তরবঙ্গের কংগ্রেস নেতারা। প্রদেশ কংগ্রেসের কার্যকরী সভাপতি শঙ্কর মালাকার-সহ উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন জেলার কংগ্রেস নেতারা এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন। সেখানেই রাহুলের সভা ও থাকার ব্যবস্থা নিয়ে আলোচনা হয়। উত্তরবঙ্গে রাহুলকে ঘিরে যে বেশ উন্মাদনা সৃষ্টি হবে তা নিয়ে আশাবাদী শঙ্কর মালাকার।

রাহুলের বঙ্গসফর, শিলিগুড়িতে গান্ধী-মমতা সাক্ষাৎ?
তবে, কংগ্রেস-তৃণমূল আসন সমঝোতা নিয়ে কোনও মন্তব্য করেন নি উত্তরবঙ্গের হাত শিবিরের নেতারা। আর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ প্রসঙ্গে তাঁদের বক্তব্য, ইন্ডিয়া জোটের শরিক রাজ্যের বাম ও তৃণমূল নেতাদের আমন্ত্রণের বিষয়টি দলের শীর্ষনেতারা স্থির করবেন। কংগ্রেস চায়, জোট শরিকেরা এই যাত্রায় অংশগ্রহণ করুক। এখন, মমতা-রাহুল সাক্ষাৎ হয় কিনা সেদিকেই নজর রয়েছে রাজনৈতিক মহলের।




