নজরবন্দি ব্যুরোঃ আগামীকাল নয়া তৃণমূল ভবনে বৈঠকে বসতে চলেছে তৃণমূল। বৈঠকে দলীয় সাংসদ এবং বিধায়কদের পাশপাশি উপস্থিত থাকার কথা জেলা নেতৃত্ব এবং সমস্ত গুরুত্বপূর্ণ শাখার নেতৃত্বদের। কিন্তু সবথেকে বেশী আলোচনা হচ্ছে বীরভূম তৃণমূলের জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলকে নিয়ে। কারণ, পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে দলের গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক। মমতার ডাকা বৈঠকে উপস্থিত থাকবেন অনুব্রত? সেই প্রশ্নই এখন নতুন করে মাথাচাড়া দিয়েছে।
আরও পড়ুনঃ Repo Rate: চার বছর পর সুদের হার বাড়াল RBI, ব্যাপক রক্তক্ষরণ শেয়ার বাজারে।
সূত্রের খবর, সিবিআইয়ের চার নম্বর হাজিরা এড়িয়ে এসএসকেএমের উডবার্ন ওয়ার্ডে ভর্তি হন অনুব্রত মণ্ডল। এরপর ১৭ দিন ধরে সেখানেই চলছিল অনুব্রত মণ্ডলের চিকিৎসা। কিন্তু এসএসকেএম থেকে ছাড়া পেতেই ফের সিবিআইয়ের জোড়া তলবে নাভিশ্বাস কেষ্টর। আপাতত সিবিআইকে জানিয়েছেন, ২১ মে র পর হাজিরা দেবেন। এবিষয়ে অ্যান্টি করাপশন ব্রাঞ্চ এবং স্পেশাল ক্রাইম বাঞ্চে চিঠি দিয়েছেন তিনি।

এখন তাঁকে ঘিরে প্রশ্ন, যদি অনুব্রত আগামীকাল বৈঠকে উপস্থিত থাকেন, তাহলে কী ফের তলব করবে সিবিআই? নাকি আগামীকালের গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক এড়িয়ে গিয়ে চিনারপার্কের বাড়িতে দিন কাটাবেন তিনি? তবে বৈঠকে অনুব্রত উপস্থিত থাকলে কী প্রভাব পড়বে সাধারণ মানুষের মধ্যে? এই প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হচ্ছে তৃণমূলের নেতাদের।
সূত্রের খবর, কোনভাবেই দুর্নীতিকে বরদাস্ত করা যাবে না। এই বার্তা দলের সকল স্তরের নেতাদের মধ্যে পৌঁছে দিতে চান মমতা। সেইসঙ্গে প্রশাসনিক কাজে দখলদারি মানতে নারাজ মুখ্যমন্ত্রী৷ একাধিক নেতাদের বেফাঁস মন্তব্যের পর লাগাম টানতে চলেছেন তিনি। দল যা সিদ্ধান্ত নেবে সেটাই চুড়ান্ত বলে মেনে নিতে হবে।
পাশাপাশি আরও জনসংযোগ বাড়াতে হবে। সরকারের সমস্ত জনমুখী প্রকল্পের কথা মানুষের কাছে তুলে ধরতে হবে। নেতা হয়ে পদ দখল করে বসে থাকলে হবে না। সকলের কাছে পৌঁছে যেতে হবে।
মমতার বৈঠকে উপস্থিত থাকবেন অনুব্রত? জল্পনা তুঙ্গে

উল্লেখ্য, ২৪ এর লোকসভা নির্বাচনের আগে ২৩ এর পঞ্চায়েত নির্বাচন তৃণমূলের কাছে অ্যাসিড টেস্টের সমান। গতবারের ভুলের কারণে লোকসভায় আসন সংখ্যা কমে গিয়েছিল ঘাসফুলের৷ সেই ভুল আর যাতে না হয়, সেই বার্তাই দেবেন তৃণমূল সুপ্রিমো।



