লোকসভা নির্বাচনের আগে রাজনীতি থেকে সরে আসতে চেয়েছিলেন তৃণমূল সাংসদ দীপক অধিকারী ওরফে দেব। যদিও নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কথা শুনে ফের রাজনীতিতেই মনোনিবেশ করেন তিনি। আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে তাঁকেই আরও একবার ঘাটালের টিকিট দিয়েছে জোড়াফুল শিবির। নাম ঘোষণার পর থেকেই নিয়মিত প্রচারে বেরোচ্ছেন অভিনেতা।
আরও পড়ুন: সুকান্তর হাত ধরে বাম-তৃণমূল কর্মীদের বিজেপি যোগ, বালুরঘাটে অস্বস্তিতে শাসক শিবির?
শুক্রবার ডেবরা বাজার থেকে ডেবরা অডিটোরিয়াম হল রোড-শো করেন দেব। এরপর ডেবরা অডিটোরিয়াম হলে দলীয় সভাইয় যোগ দেন তিনি। সেখানেই দেব বলেন, “এই মুহূর্তে তৃণমূলকে হারাতে পারে একমাত্র তৃণমূলই! তৃণমূলে সকলেই চায় নেতা হতে, সকলেই পদ চায়। কিন্তু দলকে জেতাতে হলে আমাদের লক্ষ্য স্থির রাখতে হবে। দল সবার আগে। কিন্তু কর্মীরা সম্মান চান। আপনারা যা চান আমি তাই করব।”

আসলে, দেবের এই বক্তব্যের মধ্যে কোনও ভাবেই দলকে ব্যাকফুটে ঠেলে দেওয়ার উদ্দেশ্য ছিল না। এর আগে নারায়ণগড়ের জনসভাতেও একই কথা বললেন ঘাটালের তৃণমূল প্রার্থী। দেবের কথার অর্থ, ঐক্যবদ্ধ হয়ে লড়াই করলে কেশপুরের চেয়ে ডেবরায় বেশি ‘লিড’ পাবে তৃণমূল।

একমাত্র তৃণমূলই পারে তৃণমূলকে হারাতে! ডেবরায় ‘বেফাঁস’ দেব?
দেব আরও বলেন, ‘‘২০১৯ সালের অভিজ্ঞতা ভাল ছিল। কেউ কেউ বলেছিলেন ৩০ হাজার লিড হবে। কেউ বলেছিলেন ৪০, কেউ বলেছিলেন ৫০ হাজার লিড হবে। বিধানসভা ভোটের সময় পার্টির হয়ে নানা জায়গায় ঘুরেছি। আমার মনে হয়, তৃণমূলের সংগঠন সবচেয়ে শক্তিশালী। আমাদের ধারেকাছে কেউ নেই। তৃণমূলকে অন্য কোনও দল হারাতে পারবে না। তৃণমূলকে হারাতে পারে শুধুমাত্র তৃণমূল।’’

প্রসঙ্গত, কেশপুর থেকে ২০১৪ সালের লোকসভায় ১ লক্ষ ১৭ হাজার ভোটের ‘লিড’ পান দেব। ২০১৯-এ ‘লিড’ কমে। ৯২ হাজার ভোটে এগিয়ে ছিল তৃণমূল। তাই দেবের কথা, “২০১৯ সাল অতীত। তবে কর্মীরা যদি ঐক্যবদ্ধ হয়ে লড়াই করে তাহলে ডেবরা কেশপুরের লিড-কেও ছাপিয়ে যাবে।”



