নজরবন্দি ব্যুরোঃ শপথ নিতে চলেছেন গুজরাতের নয়া মুখ্যমন্ত্রী ভূপেন্দ্র প্যাটেল। দলের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত বলে জানিয়েছেন বিজয় রূপাণী। নিজের মুখ্যমন্ত্রী পদ ‘স্বেচ্ছায়’ ছেড়ে দিয়েছেন তিনি। কিন্তু প্রশ্ন উঠছে কি এমন ঘটল বিজেপির অন্দরে যে ৬ মাসের মধ্যে ৪ মুখ্যমন্ত্রী বদল করতে হল? রাজনৈতিক মহলের ব্যাখ্যা এর মধ্যে রয়েছে বিজেপির আভ্যন্তরীন কলহ কে সামাল দেওয়ার চেষ্টা এবং ২০২৪ লোকসভা নির্বাচনের গুটি সাজানোর স্ট্র্যাটেজি।
আর পড়ুনঃ অর্জুন গড়ে বড় ভাঙন BJP-তে, ২ হাজার কর্মী নিয়ে তৃণমূলে মণীশ শুক্লা ঘনিষ্ঠ দুই নেতা


৬ মাসে ৪ মুখ্যমন্ত্রী বদল করতে হয়েছে বিজেপি কে, সংখ্যাটা ৫ ও হতে পারত। কারন উত্তরপ্রদেশ, উত্তরাখণ্ড, কর্ণাটক, গোয়া, মধ্যপ্রদেশ, রাজস্থান, গুজরাত এমনকি ত্রিপুরা। সব রাজ্যেই চলছে বিজেপির আভ্যন্তরীন কোন্দল। মাঝে ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেব কেও সরিয়ে দেওয়ার কথা উঠেছিল একবার। সেবার বিপ্লব দিল্লি ছুটে গিয়ে কোনমতে কুর্শি বাঁচান।
এদিকে গত ৬ মাসের মধ্যে উত্তরাখণ্ডেই মুখ্যমন্ত্রী বদলেছে দু’বার। গত ১০ মার্চ ত্রিবেন্দ্র রাওয়াতকে সরিয়ে উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী করা হয় তিরথ সিং রাওয়াতকে। কিন্তু ৪ মাস পরেই সরিয়ে দেওয়া হয় তাঁকে। গত ৩ জুলাই, উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী পদ থেকে ইস্তফা দেন তিরথ সিং রাওয়াতও। নতুন মুখ্যমন্ত্রী হন পুষ্কর সিং ধামী। কর্নাটকের একদা শেষ কথা বিএস ইয়েদুরাপ্পার মত নেতাকেও হেলায় সরিয়ে দিয়েছে বিজেপি। আর নবতম সংযোজন বিজয় রুপানী।
৬ মাসের মধ্যে ৪ মুখ্যমন্ত্রী বদল, হাতের রাশ আলগা করতে চাইছেন না মোদি-অমিত?



রাজনৈতিক মহলের ব্যাখ্যা, মোদি অমিত জুটির বক্তব্যে কেউ বিরোধিতা করলেই তাঁকে সরতে হচ্ছে পদ থেকে। সমস্যা বেড়েছে পশ্চিমবঙ্গেও। মন্ত্রীসভা সম্প্রসারণের সময় রাজ্যের দুই সাংসদ বাবুল সুপ্রিয় এবং দেবশ্রী চৌধুরীকে সরিয়ে দেওয়া হয় তেমন কোন কারন ছাড়াই। নিশিথ প্রামানিক বা জন বার্লার মত নেতারা স্থান পেয়ে যান মোদির ক্যাবিনেটে। সূত্রের দাবি ২৪ নির্বাচনের আগে দলের মধ্যে নিজেদের রাশ আলগা করতে চাইছেন না মোদি অমিত জুটি।







