ষষ্ঠ দফায় ৪৩ আসনে নির্বাচন, লোকসভার ভিত্তিতে কোন দল, কত ভোটে এগিয়ে?

বিজ্ঞাপন
নজরবন্দি ডিজিটাল ডেস্ক

নজরবন্দি ব্যুরোঃ ষষ্ঠ দফায় ৪৩ আসনে নির্বাচন আসন্ন। গত ৫ দফার নির্বাচন শেষে যুযুধান প্রতিপক্ষ তৃণমূল-বিজেপি উভয় শিবির দাবি করেছে তাঁদের প্রাপ্ত আসন প্রায় ম্যাজিক ফিগার ছুঁই ছুঁই। এই পরিস্থিতিতে হতে চলেছে ষষ্ঠ দফার নির্বাচন। এই দফায় মোট ৪টি জেলার ৪৩ আসনে হবে ভোট গ্রহণ। জেলাগুলি হল, ১) পূর্ব বর্ধমান ২) উত্তর দিনাজপুর ৩) নদিয়া ৪) উত্তর ২৪ পরগণা। 

আরও পড়ুনঃ ভয়াবহ সংক্রমণের আবহে ১৭ আসনে ভোট উত্তর ২৪ পরগণায়! কি বলছে তথ্য?

পূর্ব বর্ধমানের আসনগুলি হল – ভাতার, পূর্বস্থলী দক্ষিণ, পূর্বস্থলী উত্তর, কাটোয়া, কেতুগ্রাম, মঙ্গলকোট, আউশগ্রাম, গলসি। উত্তর দিনাজপুরের আসনগুলি হল – চোপড়া, ইসলামপুর, গোয়ালপোখর, চাকুলিয়া, করণদিঘি, হেমতাবাদ, কালিয়াগঞ্জ, রায়গঞ্জ, ইটাহার। নদিয়ার আসনগুলি হল – করিমপুর, তেহট্ট, পলাশীপাড়া, কালীগঞ্জ, নাকাশিপাড়া, চাপড়া, কৃষ্ণনগর উত্তর, নবদ্বীপ, কৃষ্ণনগর দক্ষিণ।

ব্যাপক কোভিড সংক্রমণের মধ্যেই উত্তর ২৪ পরগণার ১৭ আসনে ভোট গ্রহণ হবে বৃহস্পতিবার। আসনগুলি হল – বাগদা, বনগাঁ উত্তর, বনগাঁ দক্ষিণ, গাইঘাটা, স্বরূপনগর, বাদুরিয়া, হাবরা, অশোকনগর, আমডাঙা, বিজপুর, নৈহাটি, ভাটপাড়া, জগদ্দল, নোয়াপাড়া, ব্যারাকপুর, খড়দা, দমদম উত্তর

ষষ্ঠ দফায় ৪৩ আসনে নির্বাচন আসন্ন। ২০১৬ সালে এই ৪৩ আসনে লড়াই ছিল বাম-কংগ্রেস বনাম তৃণমূলের। কিন্তু ছবিটা বদলে যায় ২০১৯ লোকসভা নির্বাচনে। বাম কংগ্রেস কে পেছনে ফেলে তৃণমূলের সাথে সরাসরি টক্কর দেয় বিজেপি। দেখেনিন ৪৩ টি আসনে কোন দল এগিয়ে রয়েছে লোকসভার ভিত্তিতে।

পূর্বস্থলি দক্ষিণ বিধানসভা আসনে ১,০০,২৪০ ভোট পেয়ে এগিয়ে তৃণমূল। বিজেপি পেয়েছিল ৭৮,৩৩২ ভোট। সিপিএমের প্রাপ্ত ভোট ছিল ১৭,৮৩৬।
পূর্বস্থলি উত্তর আসনে এগিয়ে ৮৫,১৭৪ ভোট পেয়ে এগিয়ে তৃণমূল। বিজেপি পেয়েছিল ৮২,৪৬৯ ভোট। সিপিএম পেয়েছিল ২৬,৭৬৩ ভোট।
কাটোয়া আসনে ৮৯,১৭৫ ভোট পেয়ে এগিয়েছিল বিজেপি। তৃণমূল পেয়েছিল ৮৭,৩১৬ ভোট। সিপিএমের প্রাপ্ত ভোট ২৩,২১১।
ভাতার আসনে ৯৯,৩৮৩ ভোট পেয়ে এগিয়েছিল তৃণমূল। বিজেপি পেয়েছিল ৭২,৯১৯ ভোট। সিপিএম পেয়েছিল ২১,৪২৭ ভোট।

গলসি-তে ৯৩,১৭৭ ভোট পেয়ে এগিয়েছিল বিজেপি। তৃণমূল পেয়েছিল ৮৩,৫৫৬ ভোট। সিপিএমের প্রাপ্ত ভোট ২১,৭১২।
কেতুগ্রামে ১,০২,৬৭৯ ভোট পেয়ে এগিয়ে তৃণমূল। এই বিধানসভা আসনে ৭৫,১৬৫ ভোট পেয়েছিল বিজেপি। বামেদের প্রাপ্ত ভোট ছিল ১৪,০৩৪।
মঙ্গলকোটে ১,০৫,৩৯৭ ভোট পেয়ে এগিয়ে ছিল তৃণমূল। বিজেপি পেয়েছিল ৭৬,১৭০ ভোট। সিপিএমের প্রাপ্ত ভোট ১৩,২১১।
আউশগ্রামে ৯৫,৪৬০ ভোট পেয়ে এগিয়ে তৃণমূল। বিজেপির প্রাপ্ত ভোট ছিল ৮০,৫৯২। সিপিএম পায় ১৮,৩৯১ ভোট।
চোপড়া আসনে ৯৪,২৯৮ ভোট পেয়ে এগিয়েছিল তৃণমূল। বিজেপি পেয়েছিল ৪৯,৫২১ ভোট। কংগ্রেস পেয়েছিল ২২,৭৬৯ ভোট। সিপিএম পেয়েছিল ১১,৪০৩ ভোট।

ইসলামপুরে ৬০,৯৭৬ ভোট পেয়ে এগিয়েছিল তৃণমূল। বিজেপি পেয়েছিল ৫৬,৫৩১ ভোট। সিপিএম ৩০,৪৭৯ ও কংগ্রেস ৬,৪৩৯ ভোট পেয়েছিল।
গোয়ালপোখরে ৭৯,৬৮২ ভোট পেয়ে এগিয়েছিল তৃণমূল। বিজেপি পেয়েছিল ৩১,৪৪১ ভোট। কংগ্রেস ১০,৭০৯ ও সিপিএম ৩০,০৭৮ ভোট পেয়েছিল।
চাকুলিয়ায় ৫৯,১২৯ ভোট পেয়ে এগিয়েছিল তৃণমূল। বিজেপি পেয়েছিল ৫১,৩০৪ ভোট। সিপিএম ৪০,৩৪৮ ও কংগ্রেস ৭,৩৫২ ভোট পেয়েছিল।
করণদিঘিতে ৮২,০০৯ ভোট পেয়ে এগিয়েছিল বিজেপি। তৃণমূল পেয়েছিল ৬৬,০৪৫ ভোট। কংগ্রেস ১২,৭০৩ ও সিপিএম ৩০,৪৮৮ ভোট পেয়েছিল।
হেমতাবাদে ৮৫,৭৩৮ ভোট পেয়ে এগিয়েছিল বিজেপি। তৃণমূল পায় ৭৯,৫৬২ ভোট। কংগ্রেস ১৭,৪৯১ ও সিপিএম ১৯,২৪৮ ভোট পেয়েছিল।
কালিয়াগঞ্জে ১,১৮,৮৯৫ ভোট পেয়ে এগিয়েছিল বিজেপি। তৃণমূল পায় ৬২,১৩৩ ভোট। কংগ্রেস ১৮,৫৬১ ও সিপিএম ১৯,২৪০ ভোট পেয়েছিল।

রায়গঞ্জে ৮৩,৯৪৪ ভোট পেয়ে এগিয়েছিল বিজেপি। তৃণমূল পেয়েছিল ৪১,৭৪২ ভোট। কংগ্রেস ৯,৭৫৫ ও সিপিএম ১১,৪২৯ ভোট পেয়েছিল।
ইটাহারে ৮৭,৫০৬ ভোট পেয়ে এগিয়েছিল তৃণমূল। বিজেপি পেয়েছিল ৫৯,৭২৯ ভোট। আরএসপি পেয়েছিল ৮,১৬৩ ভোট। কংগ্রেস পায় ১৩,৮৩১ ভোট।
করিমপুরে ৮৭,৫১৩ ভোট পেয়ে এগিয়ে তৃণমূল। বিজেপি পেয়েছিল ৭৩,১৭৩ ভোট। কংগ্রেস ২২,০৯৭ ও সিপিএম ১৭,৬০৯ ভোট পেয়েছিল।
তেহট্ট আসনে এগিয়ে ৮৯,৪৩০ ভোট পেয়ে এগিয়ে বিজেপি। তৃণমূল পেয়েছিল ৮৭,৩৬৯ ভোট। সিপিএম ১৯,০৮৭, কংগ্রেস ৫,১৮১ ভোট পেয়েছিল
পলাশিপাড়ায় ৯৫,১৯৫ ভোট পেয়ে এগিয়ে তৃণমূল। বিজেপি পেয়েছিল ৫৯,১৩৫ ভোট। কংগ্রেস ৫,৭৩০ ও সিপিএম ২০,৬০৫ ভোট পেয়েছিল।

কালীগঞ্জে ৯৯,৮৩৯ ভোট পেয়ে এগিয়ে তৃণমূল। বিজেপি পায় ৬২,৬১১ ভোট। সিপিএম ১৮,৯৩২ ও কংগ্রেস ৬,৪৯২ ভোট পেয়েছিল।
নাকাশিপাড়ায় ৮৭,৮৯৩ ভোট পেয়ে এগিয়ে তৃণমূল। বিজেপি পায় ৮২,৮১৩ ভোট। সিপিএম ১৫,৯৭৮ ও কংগ্রেস ৪,৪৪৫ ভোট পেয়েছিল।
চাপড়ায় ১,০৪,৯৭৫ ভোট পেয়ে এগিয়ে তৃণমূল। বিজেপি পায় ৫৫,৬০৩ ভোট। সিপিএম ২০,৩২৪ ও কংগ্রেস ৮,১৭৮ ভোট পেয়েছিল।
কৃষ্ণনগর উত্তরে ১,১৫,৮৭৫ ভোট পেয়ে এগিয়ে বিজেপি। তৃণমূল পায় ৬২,৩২৪ ভোট। সিপিএম ১০,৫০৬ ও কংগ্রেস ২,৪০৯ ভোট পেয়েছিল।
কৃষ্ণনগর দক্ষিণে ৮২,৭৮১ ভোট পেয়ে এগিয়ে বিজেপি। তৃণমূল পায় ৭৬,০৫৭ ভোট। সিপিএম ১৫, ৫৮৪ ও কংগ্রেস ৫,৬৮১ ভোট পেয়েছিল।
রানাঘাট লোকসভা আসনে ২০১৯-এর ভোটের ফল অনুসারে-
নবদ্বীপ ৮৮,৪২১ ভোট পেয়ে এগিয়ে তৃণমূল। বিজেপি পায় ৮৪,৩৫৭ ভোট। কংগ্রেস ৩,০০৪ ও সিপিএম ২২,৩৬৮ ভোট পেয়েছিল।

বাগদাতে ১,০৯,৭৪০ ভোট পেয়ে এগিয়ে বিজেপি। তৃণমূল পায় ৮৫,২৮৩ ভোট। সিপিএম ৬,৯৫৭ ভোট পেয়েছিল।
বনগাঁ উত্তরে ১,০৪,৫৫৮ ভোট পেয়ে এগিয়েছিল বিজেপি। তৃণমূল ৭৬,১৮৮ ভোট পায়। সিপিএম পেয়েছিল ৯,৮৬৮ ভোট।
বনগাঁ দক্ষিণে ১,০৫,১৫৬ ভোট পেয়ে এগিয়ে বিজেপি। তৃণমুল পায় ৭৬,৬২৮ ভোট। সিপিএম পেয়েছিল ৮,২১২ ভোট।
গাইঘাটায় ১,০৯,৯২২ ভোট পেয়ে এগিয়ে বিজেপি। তৃণমূল পায় ৭৩,৯৭৪ ভোট। সিপিএম পায় ১১,৮১৫ ভোট।
স্বপরূপনগরে ৯২,১৭৪ ভোট পেয়ে এগিয়ে তৃণমূল। বিজেপি পায় ৬৮,২০৩ ভোট। সিপিএম পায় ২২,৭৯৭ ভোট।
বাদুড়িয়াতে ৯৬,২১৬ ভোট পেয়ে এগিয়ে তৃণমূল। বিজেপি পায় ৫৬,৩১০ ভোট। বামেরা পায় ১৩,৮৩১ ভোট। কংগ্রেস পায় ২৯,২৮৯ ভোট।
হাবড়াতে ৯৭,৩১০ ভোট পেয়ে এগিয়ে বিজেপি। তৃণমূল পেয়েছিল ৭৭,৮৫৮ ভোট। বামেদের ভোট ছিল ১০,১১৫।
অশোকনগরে ৯৩,১০৯ ভোট পেয়ে এগিয়ে তৃণমূল। বিজেপি পেয়েছিল ৭৯,৫৯২ ভোট। বামেরা পায় ১৯,৪২৩ ভোট।

আমডাঙায় ৯৮,৬৫৩ ভোট পেয়ে এগিয়ে তৃণমূল। বিজেপি পায় ৬২,০৮৭ ভোট। সিপিএম পেয়েছিল ২৫,৩৫২ ভোট।
বীজপুরে ৫৮,৯১২ ভোট পেয়ে এগিয়েছিল বিজেপি। তৃণমূল পায় ৫১,০১৬ ভোট। সিপিএম পায় ১৪,৩৮৫ ভোট।
নৈহাটিতে ৬৫,৬০১ ভোট পেয়ে এগিয়ে বিজেপি। তৃণমূল পায় ৬৪,৩৭৫ ভোট। সিপিএম পায় ১৩,৩৬১ ভোট।
ভাটপাড়ায় ৬৪,৬৮০ ভোট পেয়ে এগিয়ে বিজেপি। তৃণমূল পায় ৩৪,৯৭৩ ভোট। সিপিএম পায় ৪,৫২৪ ভোট।
জগদ্দলে ৭৭,৭৩৩ ভোট পেয়ে এগিয়ে বিজেপি। তৃণমূল পায় ৬৯,৩৬৮ ভোট। সিপিএম পায় ১৮,১৩৮ ভোট।
নোয়াপাড়ায় ৭৮,৯৫৭ ভোট পেয়ে সামান্য এগিয়ে তৃণমূল। বিজেপি পায় ৭৮,৪৩১ ভোট। সিপিএম পেয়েছিল ২৪,৮৮৬ ভোট
ব্যারাকপুরে ৬৪,০৪৬ ভোট পেয়ে এগিয়ে বিজেপি। তৃণমূল পায় ৬০,৫২৭ ভোট। সিপিএম পেয়েছিল ১৬, ৭০৮ ভোট।
খড়দায় ৭৩,৭৬৭ ভোট পেয়ে এগিয়ে তৃণমূল। বিজেপি পেয়েছিল ৭২,৪৯৯ ভোট। সিপিএম পেয়েছিল ২০,০৬৯ ভোট।
দমদম উত্তরে ৮৩,৯৯৫ ভোট পেয়ে এগিয়ে তৃণমূল। বিজেপি পেয়েছিল ৭৮,৩৪৬ ভোট। সিপিএম পেয়েছিল ৩৫,৬০৪ ভোট।

সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে

Google News Google News এবং Google Discover Google Discover -এ নজরবন্দি-কে Follow করে রাখুন।

বিজ্ঞাপন

আরও খবর