কোটা বিরোধী আন্দোলনকে কেন্দ্র করে গত কয়েকদিন ধরে দফাই দফাই উত্তপ্ত হয়েছে বাংলাদেশ। গোটা দেশজুড়ে এই আন্দোলনের ফলে জারি করা হয়েছে কারফিউ। বন্ধ করা হয়েছে ইন্টারনেট। দোকান বাজার, ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান, কারখানা, রেল যোগাযোগ। কোটা বা সংরক্ষণ বিরোধী এই আন্দোলনকে কিছুটা হলেও দমন করতে পেরেছে বাংলাদেশ সরকার। গতকাল থেকেই বাংলাদেশের বেশ কিছু এলাকায় কারফিউ শিথিল করা হয়েছে।

কিন্তু কোটাবিরোধী এই যে আন্দোলন কি শুধু ছাত্রদের আন্দোলন ছিল? সেটা মনে করছে না বাংলাদেশ সরকার। তাহলে বাংলাদেশের এই হিংসার পিছনে কারা? বলে রাখা ভালো এই আন্দোলনে এখন পর্যন্ত ২০০ জন প্রাণ হারিয়েছেন। তাই সরকারের পক্ষ থেকে প্রশ্ন উঠে গিয়েছে এই আন্দোলকে পেছন থেকে কারা পরিচালনা করলো? এবার এই নিয়েই মুখ খুললেন বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান। আজ বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বাংলাদেশ হিংসার ঘটনায় যে সমস্ত পুলিশ কর্মী ও আধিকারিকদের মৃত্যু হয়েছে সেই নিহিত পুলিশকর্মীর পরিবারদের আর্থিক সাহায্য করে বাংলাদেশ সরকার।

আর সেই অনুষ্ঠানে এসেই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বাংলাদেশের এই হিংসার পিছনে কারা? এই প্রশ্নের উত্তর দেন। তিনি বলেন, “একটি অচল অবস্থা তৈরীর জন্য স্বাধীনতা বিরোধী জামায়াত-বিএনপি শক্তি ও একসঙ্গে এই ঘটনা ঘটিয়েছে। আমরা কখনো দেখিনি কোন আন্দোলনে থানা আক্রমণ করতে, কারাগার আক্রমণ করতে। এই আন্দোলনে এগুলো আমরা নতুন করে দেখলাম”। শুধু এখানেই না থেমে বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, “জঙ্গিদের উত্থান, বিএনপি-জামাত চক্রকে ইতিমধ্যেই আমরা বেশ খানিকটা নিয়ন্ত্রণে আনতে পেরেছি। আগামী দু-চার দিনের মধ্যে একটা নিয়ন্ত্রণে আসবে বলে আশা করছি। আমরা আমাদের সর্বশক্তি দিয়ে এই সমস্ত দেশবিরোধী মানুষদের চিহ্নিত করব। এবং তাদের আইনের মুখোমুখি করব। এই সংকল্প থেকে আমরা এক পাও পিছনে হোটব না”।
বাংলাদেশের এই হিংসার পিছনে কারা? জানালেন ওপার বাংলার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

উল্লেখ্য বর্তমানে বাংলাদেশে ফের চালু হয়েছে ইন্টারনেট পরিষেবা। খুলতে শুরু করেছে অফিস কাছারি। শিথিল করা হয়েছে কারফিউ। বেসরকারি অফিসগুলো চার ঘন্টা করে খোলার অনুমতি দিয়েছে সরকার। দেশের ব্যাংকগুলিকেও কিছু সময়ের জন্য খুলতে বলা হয়েছে। সব মিলিয়ে বাংলাদেশের অবস্থা স্বাভাবিক না হলেও নিয়ন্ত্রণে আছে বলে জানিয়েছে হাসিনা সরকার।



