কোটা সংস্কার আন্দোলনকে কেন্দ্র করে উত্তাল বাংলাদেশ। আন্দোলনকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষে এখনও পর্যন্ত বাংলাদেশে ১০৫ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে সংবাদ সংস্থা এএফপি। এই মুহূর্তে দেশব্যাপী কার্ফু জারি রয়েছে। বৃহস্পতিবার থেকে বাংলাদেশে ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ করে দিয়েছে সরকার। যার জেরে গোটা বিশ্বের থেকে কার্যত বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে দেশটি। ঢাকার রাজপথে টহল দিচ্ছে সেনাবাহিনীর ট্যাঙ্ক। বাংলাদেশের এই পরিস্থিতি নিয়ে এবার উদ্বেগ প্রকাশ করল নবান্ন।
সূত্রের খবর, দিল্লিতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে নবান্নের তরফ থেকে। কত জন পশ্চিমবঙ্গবাসী সেদেশে আটকে রয়েছে তা জানতে চাওয়া হয়েছে। পাশাপাশি বাংলাদেশের পরিস্থিতি নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ রাখার জন্য দিল্লির রেসিডেন্ট কমিশনারকেও নির্দেশ দিয়েছে নবান্ন। ইতিমধ্যেই বাংলাদেশ থেকে দেশে ফিরেছেন আরও ৭৭৮ জন ভারতীয় পড়ুয়া। শনিবার বিদেশ মন্ত্রকের তরফে একটি বিবৃতি দিয়ে এই কথা জানানো হয়েছে। এখনও ৪,০০০-এর বেশি ভারতীয় পড়ুয়া এখনও সে দেশে রয়েছেন বলে জানানো হয়েছে।

বিদেশ মন্ত্রক তাঁদের বিবৃতিতে জানিয়েছে, “বাংলাদেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে পাঠরত চার হাজারেরও বেশি পড়ুয়ার সঙ্গে ঢাকার দূতাবাস এবং উপদূতাবাসগুলি যোগাযোগ রাখছে এবং তাঁদের প্রয়োজনীয় সাহায্যও করা হচ্ছে। বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতিতে যে ভারতীয় পড়ুয়ারা আটকে পড়েছেন, তাঁদের ফেরানো হচ্ছে।’’
উত্তাল বাংলাদেশে কত জন রাজ্যবাসী আটকে? উদ্বেগ প্রকাশ করে দিল্লির দরবারে নবান্ন

সরকারি চাকরিতে মুক্তি যোদ্ধাদের সংরক্ষণ ব্যবস্থার সংস্কারের দাবিতে বিক্ষোভ চলছে বাংলাদেশে। আন্দোলনে নেমেছেন ছাত্রছাত্রীরাই। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্দোলন শুরু হলেও এই মুহূর্তে দেশের নানান প্রান্তে তা ছড়িয়ে পড়েছে। বাংলাদেশের সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গের বিস্তীর্ণ এলাকা জুড়ে সীমান্ত রয়েছে। ইতিমধ্যেই ঘোজাডাঙা সহ বিভিন্ন স্থল বন্দর দিয়ে পণ্য আমদানি, রপ্তানিও বন্ধ হয়ে গিয়েছে। এখন রাজ্যের বাকী মানুষেরা কবে এদেশে পা রাখবেন তা নিয়েই চিন্তায় নবান্ন।



