নজরবন্দি ব্যুরোঃ সেরামের ভ্যাকসিন Covovax কে Emergency অনুমোদন WHO-র। সুখবর বিশ্ববাসীর জন্যে। বিশ্বজুড়ে করোনা ভাইরাসের নতুন ভেরিয়েন্ট ওমিক্রন বাড়তে থাকায় সিঁদুরে মেঘ দেখছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO)। ইতিমধ্যেই সারা পৃথিবীর প্রায় ৫৬ টি দেশে হানা দিয়েছে ওমিক্রন। বিজ্ঞানীরা বলছেন করোনা ভাইরাসের এই ভেরিয়েন্ট মারাত্মক ছোঁয়াচে। তাই ভয় রয়েছে তৃতীয় ঢেউয়ের।
আরও পড়ুনঃ প্রধানমন্ত্রী নির্বাচন করতে পারলে ১৮ তে বিয়ে নয় কেন? প্রশ্ন ওয়েইসির


এই পরিস্থিতিতে সেরামের ভ্যাকসিন Covovax কে Emergency অনুমোদন দিল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। যদিও WHO অনুমতি দিলেও সেরামের এই ভ্যাকসিন ভারতের DCGL-এর অনুমতি পাওয়ার অপেক্ষায় রয়েছে। তবে সূত্রের খবর, চলতি সপ্তাহেই এই ভ্যাকসিন ব্যাবহারে অনুমতি দিতে পারে কেন্দ্রীয় সরকার। উল্লেখ্য বিষয়, কিছুদিন আগেই সেরাম কর্তা আদর পুনওয়ালা ঘোষনা করেছিলেন ৩ বছর বা তাঁর বেশি বয়সীদের ভ্যাকসিন দেওয়ার কথা। আগামী বছরের শুরুতেই এই ভ্যাকসিন বাজারে আসবে বলে আশা করা যাচ্ছে।
এদিকে সেরামের কোভোভ্যাক্স আজ বিশ্বের নবম ভ্যাকসিন হিসেবে ব্যাবহারের জন্যে অনুমোদন পেল বিশ্বে। মূলত করোনা ভাইরাসের নয়া ভেরিয়েন্ট ওমিক্রন ঠেকাতে এমার্জেন্সি ব্যাবহারের জন্যেই এই ভ্যাকসিন কে অনুমতি দেওয়া হয়েছে। ভারতে করোনার যে ভেরিয়েন্টের হানায় দ্বিতীয় ঢেউ উঠেছিল তা হল ডেল্টা। চীনের উহান শহরে প্রথম যে করোনাভাইরাস ছড়িয়েছিল, সেই ভাইরাস এখন আর নেই। ডেল্টা আর বেটা ভ্যারিয়েন্ট তাকে হটিয়ে দিয়েছে। ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টে মিউটেশন ছিল ১০টি আর বেটায় ৬টি। আর ওমিক্রনের ‘ইউনিক’ মিউটেশনের সংখ্যা এর অনেক বেশি। যা সংখ্যায় মোট ২৬টি।
ওমিক্রন আবহে সুখবর, সেরামের ভ্যাকসিন Covovax কে Emergency অনুমোদন WHO-র।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, করোনাভাইরাসের এই ভ্যারিয়েন্টটি অন্তত ৩২টি মিউটেশন ঘটিয়েছে – যার বৈজ্ঞানিক নাম বি.১.১.৫২৯। ওমিক্রন নিয়ে বিজ্ঞানীরা যে কারণে সবচেয়ে বেশি উদ্বিগ্ন তা হলো: এটি অত্যন্ত দ্রুত এবং সহজে ছড়াতে পারে এবং মানবদেহের রোগপ্রতিরোধ ব্যবস্থাকে এড়াতে পারে – যার ফলে এর বিরুদ্ধে টিকা কম কার্যকর হবে। পৃথিবীর কোটি কোটি মানুষ ইতোমধ্যে করোনাভাইরাসের টিকা নিয়েছেন। তারা এখন কতটা নিরাপদ – তা নিয়েও তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা।









