নজরবন্দি ব্যুরোঃ সম্প্রতি মেয়েদের বয়স ১৮ থেকে ২১ অবধি বাড়িয়েছে মোদি সরকার। এই সিদ্ধান্তকে ‘হাস্যকর’ এবং ‘সাধারণ পুরুষবাদ’ বলেছেন মিম প্রধান আসাদুদ্দিন ওয়েইসি। তিনি বলেন, মহল্লা আঙ্কেলের মতো কাজ করছেন। তাঁর প্রশ্ন, প্রধানমন্ত্রী নির্বাচন করতে পারলে ১৮ তে বিয়ে নয় কেন?
আরও পড়ুনঃ আগামী SSC-র পরীক্ষা সূচি প্রকাশ, দেখে নিন বিস্তারিত


ওয়েইসির যুক্তি, আমরা কী খাবো এবং কখন কী করব এবং কখন ঈশ্বরের পূজা করব তা নির্ধারণ করবে মোদি সরকার। পুরুষ এবং মহিলা উভয়কেই ১৮ বছর বয়সে আইনত বিবাহ করার অনুমতি দেওয়া দরকার। কারণ, আইন অনুসারে তাঁরা সকল বিষয়ে ওই বয়সেই প্রাপ্ত বয়স্ক হয়। যদি তাঁদের ডেটা কীভাবে ব্যবহার হয় সেই তথ্য যদি তাঁরা সেই তথ্য পেতে পারেন তাহলে তাঁদের বিয়ের বয়স হয়েছে।
ট্যুইটে হায়দ্রাবাদের সাংসদের মন্তব্য, “এটা পিতৃতন্ত্রের পরিচয়। আসলে সরকার যা করে এসেছে। ১৮ বছর বয়সী পুরুষ এবং মহিলারা চুক্তি সাক্ষর করতে, ব্যবসা করতে এমনকি প্রধানমন্ত্রী, সাংসদ, বিধায়ক নির্বাচন করতে পারে তাহলে বিয়ে করতে পারবে না কেন?
প্রধানমন্ত্রী নির্বাচন করতে পারলে ১৮ তে বিয়ে নয় কেন? মোদিকে কটাক্ষ মিমের

সম্প্রতি কেন্দ্রীয় মন্ত্রীসভা মহিলাদের পুষ্টির কথা মাথায় রেখে মহিলাদের বিয়ের বয়স ১৮ থেকে বাড়িয়ে ২১ অবধি করেছে। আগামী দিন সংসদে বিল আনতে চলেছে কেন্দ্র সরকার। যে দেশগুলি তরুণদের বিকাশের কথা ভাবছে তাঁরা ১৪ বিবাহের জন্য ১৪ অথবা ১৬ বছর ঠিক করেছে। যাতে তাঁরা নির্বিচারে বয়স নির্ধারণের সিদ্ধান্ত নিতে পারে। তাঁর যুক্তি, দেশে আইন থাকা সত্ত্বেও ভারতে বাল্যবিবাহ বাড়ছে। তরুণদের শিশু ভাবার সময় শেষ হয়ে এসেছে।









