করোনা তারপর ব্ল্যাক ফাঙ্গাস! এবার সন্ধান মিললো ‘হোয়াইট ফাঙ্গাসের’

করোনা তারপর ব্ল্যাক ফাঙ্গাস! এবার সন্ধান মিললো 'হোয়াইট ফাঙ্গাসের'
করোনা তারপর ব্ল্যাক ফাঙ্গাস! এবার সন্ধান মিললো 'হোয়াইট ফাঙ্গাসের'

নজরবন্দি ব্যুরো: একে করোনাতে রক্ষা নেই মানুষের।তারপরও নতুন ভাইরাসের সংক্রমণ শুরু হয়েছে বিভিন্ন রাজ্যে। করোনা ভাইরাস মহামারীর মধ্যেও বিহারে ব্লাক ফাঙ্গাসের ঘটনাগুলি আজকাল তীব্র আকার ধারণ করছে। এদিকে, পাটনায় ‘হোয়াইট ফাঙ্গাস’ মামলা পাওয়ায় আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে। বিহারের রাজধানী পাটনায় ‘হোয়াইট ফাঙ্গাসের’ চারজন রোগীর খবর পাওয়া গেছে। সংক্রামিত রোগীদের মধ্যে পাটনার এক বিখ্যাত বিশেষজ্ঞও অন্তর্ভুক্ত।

আরও পড়ুনঃ সিঙ্গাপুরে বসে এবার বিশেষ শিশুদের টিকার ব্যবস্থা করলেন ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত।

এই রোগটিকে কালো ছত্রাকের চেয়েও বেশি বিপজ্জনক বলা হচ্ছে। এছাড়াও বলা হচ্ছে যে, করোনার মতো এটিও ফুসফুসকে সংক্রামিত করে। একই সঙ্গে, সংক্রমণ শরীরের অন্যান্য অংশ যেমন নখ, ত্বক, পেট, কিডনি, মস্তিষ্ক, গোপনাঙ্গ এবং মুখের মধ্যেও ছড়িয়ে যেতে পারে। পাটনায় এখনও পর্যন্ত ‘হোয়াইট ফাঙ্গাসে’ আক্রান্ত চারজন রোগীর সন্ধান মিলেছে। পিএমসিএইচের মাইক্রোবায়োলজি বিভাগের প্রধান চিকিৎসক এসএন সিং এই তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি বলেছিলেন যে, চার রোগীর করোনার মতো লক্ষণ রয়েছে তবে তাদের করোনা হয়নি। তার সমস্ত পরীক্ষা নেতিবাচক ছিল। পরীক্ষা করাতে গিয়ে জানা গেল যে, তারা ‘হোয়াইট ফাঙ্গাসে’ আক্রান্ত হয়েছেন। তবে এটি স্বস্তির বিষয় যে কেবল চারজন রোগী অ্যান্টি-ফাঙ্গাল ওষুধ দিয়ে সুস্থ হয়েছেন। চিকিৎসকদের মতে, ফুসফুসও ‘হোয়াইট ফাঙ্গাসের’ দ্বারা সংক্রামিত হয়। এইচআরসিটি করা হলে করোনার মতো সংক্রমণ দেখা দেয়।

চিকিৎসকরা বলছেন যে, এইচআরসিটি-তে করোনার লক্ষণগুলি দেখা যায়, তবে ‘হোয়াইট ফাঙ্গাস’ সনাক্ত করতে শ্লেষ্মা পরীক্ষা করা দরকার। তিনি বলেছেন যে, ‘হোয়াইট ফাঙ্গাসের’ কারণটিও কালো ছত্রাকের মতো অনাক্রম্যতার অভাব। দীর্ঘ সময় ধরে স্টেরয়েড গ্রহণকারী ও ডায়াবেটিস রোগীদের এতে ঝুঁকি বেশি।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য,অন্যদিকে মধ্যপ্রদেশ, মহারাষ্ট্র, উত্তরপ্রদেশ,পশ্চিমবঙ্গ সহ দেশের অনেক রাজ্যে ব্ল্যাক ফাঙ্গাসের আক্রান্ত রোগীদের সন্ধান পাওয়া গেছে। পশ্চিমবঙ্গে,কিছুদিন আগে পঞ্চাশোর্ধ্ব বছরের এক মহিলার এই ফাঙ্গাসে মৃত্যু হয়েছে। সম্প্রতি করোনামুক্ত হওয়ার পর ব্ল্যাক ফাঙ্গাসে আক্রান্ত হয়েছিলেন তিনি। তাঁকে একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। সেখানেই তার মৃত্যু হয়।

এর আগে ব্ল্যাক ফাঙ্গাসে আক্রান্ত চারজন রোগীর সন্ধান মিলেছিল এই রাজ্যে। যদিও এঁদের মধ্যে দু’জন ঝাড়খণ্ড ও দু’জন বিহারের বাসিন্দা ছিলেন। চার রোগীর মধ্যে তিনজনই দিশা চক্ষু হাসপাতালে চিকিত্‍সাধীন। চতুর্থজন চিকিত্‍সা সংক্রান্ত নথি পাঠিয়েছেন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here