ফের মূল্যবৃদ্ধির (Price increase) প্রতিবাদে বিধানসভা থেকে ওয়াক আউট বিজেপির। বর্তমানে রাজ্যের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে বিক্ষোভ বিজেপির। পাশাপাশি মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে বিজেপির আনা মুলতুবি প্রস্তাব গৃহীত বিধানসভায়। এদিন বিধানসভার বাইরে বিজেপি ‘এত দাম খাব কি, মমতা যাবে কি’ স্লোগান তুলে বিক্ষোভ দেখায়। বিক্ষোভে উপস্থিত ছিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী সহ অন্যান্য বিজেপি বিধায়করাও। পাল্টা স্লোগান দেওয়া হয় তৃণমূলের তফফে।
শুক্রবার বিধানসভার ভেতরে দ্রব্যমুল্য বৃদ্ধি সংক্রান্ত একটি প্রস্তাব রাখা হয়েছিল। তাই নিয়েই এদিন বিধানসভায় আলোচনা হয়। যদিও সেই আলোচনা ছিল যথেষ্ট উত্তপ্ত। বিজেপির যুক্তি ছিল এই দ্রব্যমুল্য বৃদ্ধি। পাল্টা এদিন তৃণমূল কংগ্রেসের দাবি কেন্দ্রীয় সরকার নান ভাবে এই দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি ঘটাচ্ছে। লাগাতার পেট্রোপণ্যের দাম বাড়ানো হচ্ছে যে কারণেই এই অন্যান্য জিনিসপত্রেরও দাম বাড়ছে।


সূত্রের খবর, এর পরেই উত্তেজনার পরিস্থিতি তৈরি হলে বিজেপি ওয়াক আউট করে বিধানসভার বাইরে বেড়িয়ে যায়। বাইরে গিয়েই বিজেপি রাজ্যের বিরুদ্ধে মূল্যবৃদ্ধি (Price increase) নিয়ে প্ল্যাকার্ড হাতে বিক্ষোভ দেখায়, এবং স্লোগান তোলে ‘এত দাম খাব কি, মমতা যাবে কি’। এমনকি প্ল্যাকার্ডেও লেখাছিল এই স্লোগান। এছাড়াও লেখাছিল বর্তমানে রাজ্যের সবজি সহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় দ্রব্য সামগ্রির দাম।
শুধু তাই নয় এদিন বিক্ষোভের মাধ্যমে বিজেপি বিধায়করা সাধারণ মানুষের জন্য একটি প্রতিশ্রুতিও দেয়। বিজেপি বিধায়করা এদিন টেবিল নিয়ে আলু বিক্রি করতে বসেন এবং প্রতিটি আলুর ব্যাগে লেখা ১০ টাকা প্রতি কেজি আলু। এবিষয়ে বিজেপি নেত্রী অগ্নিমিত্রা পাল বলেন, “আমরা ২৬ এ সরকারে এলে ১০ টাকা কেজি দরে আলু দেব। একটা সিস্টেমে সব কিছু চলবে। নাটক বাজি সরকার আমরা চালাবনা।” পাশাপাশি মুখ্যমন্ত্রী কে উদ্দ্যেশ্য করে তিনি বলেন, “মুখ্যমন্ত্রী তো আগেই বলেছিলেন দাম কমানো হবে কিন্তু দাম কি কথাও কমেছে? এখনও বাজারে ৪০ টাকা কেজি আলুর দাম।”








