নজরবন্দি ব্যুরোঃ সভাপতি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে কংগ্রেসের অন্দরেই রাজনৈতিক উথালপাথাল শুরু হয়েছে। সভাপতি নির্বাচিত হলে মরুপ্রদেশের গদিতে বদল হতে পারে। তবে রাহুল গান্ধীর বক্তব্যে কার্যত স্পষ্ট, কংগ্রেসের সভাপতি পদের দৌড়ে থাকা অশোক গেহলোট যদি সভাপতি পদে নির্বাচিত হন, সেক্ষেত্রে দলীয় নিয়ম অনুযায়ী তাঁকে মুখ্যমন্ত্রী পদ থেকে পদত্যাগ করতে হবে। তাঁর কথায়, আমি এক ব্যক্তি এক পদ নীতিতে বিশ্বাস করি। উদয়পুরের চিন্তন শিবিরে ওই নীতি গৃহীত হয়েছে। দল ওই নীতি মেনে চলতে বাধ্য।
আরও পড়ুনঃ Mithun Chakraborty: সেমিফাইনালে বিজেপির ট্রাম্প কার্ড মহাগুরু, পুজোর পরেই নামছেন কর্মসূচি


এমনিতেই কংগ্রেসের অন্দরে শোনা যাচ্ছে, সভাপতি পদে দৌড়ের জন্য এগিয়ে রয়েছেন অশোক গেহলোট। এমনকি তিনি গান্ধী পরিবারের অন্যতম ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত। তাই সভাপতি পদে তিনি নির্বাচিত হন সেক্ষেত্রে রাজস্থানের মুখ্যমন্ত্রী পদে নির্বাচিত হতে চলেছেন শচীন পাইলট।

গতকাল থেকেই কেরলে রাহুল গান্ধীর ভারত জোড়ো যাত্রায় অংশ নেন শচীন পাইলট। গতকাল সোনিয়া গান্ধীর সঙ্গে দেখা করার পর আগামীকাল রাহুল গান্ধীর সঙ্গে দেখা করবেন অশোক গেহলোট। তিনি বলেন, দলের হাইকম্যান্ড চাইছেন আমি সর্বভারতীয় সভাপতি পদে লড়াই করছি। এতে মরু প্রদেশের উত্তাপ বাড়তে শুরু করেছে।
অশোক গেহলোট বলেন, নির্বাচিত কোনও পদের ক্ষেত্রে এক ব্যক্তি এক পদ নীতি খাটে না। মুখ্যমন্ত্রী থেকেও দলের সভাপতি হওয়া যায়। তাঁর বক্তব্য, নির্বাচনে জিতে মুখ্যমন্ত্রী হয়েছি। দলের সভাপতি হলেও ভোটে লড়াই করে ওই পদে বসব। যদিও রাহুল আজ নাম না করে সেই দাবি খারিজ করে দিয়েছেন।


সভাপতি নির্বাচিত হলে মরুপ্রদেশের গদিতে বদল, শচীনের জন্য রইল মুখ্যমন্ত্রী পদ

গত ২০ বছরের ধারা বদলে এবার গান্ধী পরিবারের বাইরে এবার কংগ্রেসের সভাপতি নির্বাচনে বিরাট বদল আসতে চলেছে। কংগ্রেসের সভাপতির দৌড়ে রয়েছেন অশোক গেহলোট, শশী থারুর। একইসঙ্গে এই তালিকায় রয়েছেন, মনীশ তিওয়ারি, কমলনাথ, প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী দিগ্বিজয় সিং।







