নজরবন্দি ব্যুরোঃ করোনার উত্স ইউহানের গবেষণাগার, এই তত্ত্ব প্রমাণ করতে মরিয়া আমেরিকা এবার ২০১৮’য় চিনের দূতাবাস কর্তাদের সঙ্গে বিদেশ দপ্তরের আলোচনার একটি অভ্যন্তরীণ ও গোপন কেবল সামনে আনল। মার্কিন বিদেশ দফতরের ফাঁস করা কেব্লটিতে দাবি করা হয়েছে, ২০১৮ সালে উহানের ওই গবেষণাগার ঘুরে দেখতে গিয়েছিলেন চিনের মার্কিন দূতাবাসের কর্তারা।
তাঁরা গিয়ে দেখেন, দক্ষ কর্মীর অভাব রয়েছে। বিপজ্জনক ভাইরাস নিয়ে কাজ করার জন্য যথেষ্ট নিরাপত্তাও নেই। সেই গোপন কেব্লে এ-ও অভিযোগ করা হয়েছিল, বাদুড়ের দেহ থেকে পাওয়া সার্সের মতো বিভিন্ন ধরনের করোনাভাইরাস নিয়ে কাজ করার অনুমতি রয়েছে ল্যাবটির। কিন্তু সেখানে বিজ্ঞানীরা মানুষের শরীরে সংক্রমণ ঘটাতে পারে, এমন বিপজ্জনক সার্স করোনাভাইরাস নিয়ে কাজ করছেন।


তবে ট্রাম্প প্রশাসন যে দাবি করছে, ইচ্ছাকৃত ভাবে ভাইরাসটি ছড়ানো হয়েছে, তা মানতে চাননি মার্কিন ভাইরাস বিশেষজ্ঞরাই। কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানী ইয়ান লিপকিন বলেন, ”ইচ্ছাকৃত ভাবে ভাইরাস ছড়ানোর প্রমাণ নেই।” আবার জন্স হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের টম ইংলেসবাই বলেন, ”গবেষণাগার থেকেই ভাইরাসটি ছড়িয়েছে, গোপন কেব্ল থেকে তা প্রমাণ হয় না। আবার বিষয়টা উড়িয়েও দেওয়া যায় না।”
এছারাও ঐ কেবলটিতে আরও বলা হয়েছে ইউহানের (Wuhan) ওই গবেষণাগারে গিয়ে মার্কিন দূতাবাসের কর্তারা চমকে গিয়েছিলেন। সেখানে কাজের অনুকূল পরিবেশ তো ছিলই না, উলটে দক্ষ কর্মীর অভাব রয়েছে বলেও তাঁরা অভিযোগ তোলেন। একই সঙ্গে তাঁদের দাবি, মানুষের শরীরে করোনা সংক্রমণ ঘটাতে পারে এমন অনেকগুলি ভাইরাস নিয়ে কাজ চলছিল ইউহানের ইনস্টিটিউট অফ ভাইরোলজিতে। ঘটনাচক্রে গত ডিসেম্বরে ইউহানের বাজার থেকেই করোনাভাইরাস ছড়ায় বলে জানায় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা








