নজরবন্দি ব্যুরোঃ কংগ্রেসের সভাপতি নির্বাচনে ভোটে লড়বেন শশী থারুর? জল্পনা উসকে দিলেন খোদ সাংসদ নিজেই। এক মালায়ালাম প্রথম শ্রেণীর দৈনিকের জন্য কলম ধরে গ্র্যান্ড ওল্ড পার্টিতে অবাধ ভোটের দাবি তুলেছেন থারুর। যা দেখে অনেকেই বলছেন এবার তাঁর টার্গেট কংগ্রেস সভাপতির কুর্সি। কংগ্রেসের প্রধান হিসাবে দলকে নতুন দিশা দেখাতে পারেন তিনি, এমনটাই ধারণা শশীর।
আরও পড়ুনঃ আশঙ্কা করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী, কয়লাকাণ্ডে অভিষেককে তলব


রাজনৈতিক দল হিসাবে বেশ বিপাকে পড়েছে কংগ্রেস। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, দলের দায়িত্ব নিতে রাজি নন রাহুল গান্ধী। শারীরিক অসুস্থতা এবং বয়সের কারণে সোনিয়া গান্ধীও কতটা সক্রিয় ভাবে ভূমিকা পালন করতে পারবেন, তা নিয়েও প্রশ্ন থেকে যাচ্ছে। এহেন পরিস্থিতিতে শোনা যাচ্ছিল, সভাপতি পদে বসানো হতে পারে রাজস্থানের মুখ্যমন্ত্রী অশোক গেহলটকে। এমন জল্পনা তৈরি হয়েছে কং দলের মধ্যেই।

এই সব যখন চলছে তখন হটাৎ করে নাম উঠে এলো কংগ্রেসের এই হাই প্রোফাইল সাংসদের। তিনি নিজের কলমে বলেছেন, বর্তমানে এদেশে সংবাদ মাধ্যমের দ্বারাই পরিচালিত হয় জনগণের ধারনা। আর সেই জনগণের মন পেতে গেলে কংগ্রেসকে এখন থেকেই অবিচলভাবে জাতীয় বিরোধী দলের চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করতে হবে। অযৌক্তিকতাকে সায় দিলে চলবে না।



তাঁর কথায় আগামী ১০ অগাস্ট অন্তবর্তীকালীন সভানেত্রী হিসেবে এক বছরের মেয়াদ শেষ করবেন সনিয়া গান্ধী। তাই আর দেরি করা ঠিক হবে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি। এই পরিস্থিতিতে রাহুল যদি সভাপতি না হন তাহলে কী সভাপতি খুঁজতে নির্বাচনের পথে হাটবে কংগ্রেস ? যা নিয়ে শুরু হয়েছে চর্চা। অপর দিকে সুত্রের খবর,

এবার কি কং সভাপতি শশী থারুর? জল্পনা তুঙ্গে দলের অন্দরে
দলের অন্যান্য নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করেছেন শশী থারুর। সভাপতি হিসাবে তিনি কতখানি ভূমিকা পালন করতে পারবেন সেই বিষয়েও কথাবার্তা বলেছেন কংগ্রেস সাংসদ। তবে এখনও কোনও সিদ্ধান্ত নেননি বলেই জানা গিয়েছে। এই বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নও এড়িয়ে গিয়েছেন থারুর।







