নজরবন্দি ব্যুরোঃ তুরস্কে বৈঠকের পরেই চেরিনিহিভে এবং কিভে সেনা তৎপরতা কমানোর সিদ্ধান্ত রাশিয়ার। এই সিদ্ধান্ত নিয়ে বোকা বানানোর চেষ্টা করছে রাশিয়া। এমনটাই মনে করছে হোয়াইট হাউজ। আমেরিকার দাবী, এটা পুতিনের কৌশলগত বদল মাত্র। এর সঙ্গে যুদ্ধের তীব্রতা কমানোর বিন্দুমাত্র কোনও সম্পর্ক নেই।সারা বিশ্বের নজর ঘোরাতেই পুতিনের সিদ্ধান্ত বলে দাবী আমেরিকার।
আরও পড়ুনঃ Covid Update: করোনা মোকাবিলা অনেকটাই সুস্থ ভারত, কমছে অ্যাকটিভ কেস


মঙ্গলবার ইস্তানবুলে মুখোমুখি আলোচনায় বসেছিল রাশিয়া ও ইউক্রেন। বৈঠক শেষে রাশিয়ার উপ-প্রতিরক্ষা মন্ত্রী ভ্লাদিমির মেদেনিস্কি জানান, ইউক্রেনের রাজধানী কিভ ও চেরনিহিভে সেনা তৎপরতা ক্রমশ কমানো হবে। তবে পূর্ব ইউক্রেনের দিকে সেনা তৎপরতা বাড়াতে চায় রাশিয়া। যেখানে মারিওপোল প্রায় তাঁদের দখলে।
তবে সেনা তৎপরতা কমানোর অর্থ একেবারে যুদ্ধ বিরতি নয়। এমনটাই দাবী ক্রেমলিনের জনগণের। তাই এখনও অবধি ইউক্রেন নিয়ে অবস্থানে অনড় রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। একমাত্র ইউক্রেনের জয় এবং রাশিয়ার ব্যাপক আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হলেই নিজেদের অবস্থান থেকে সরবে রাশিয়া।


আমেরিকার সেক্রেটারি অব স্টেট অ্যান্টনি ব্লিনকিন বলেছেন, ‘‘এটা আসলে শান্তি বার্তার আড়ালে আরও ভয়ঙ্কর আক্রমণের রুশ কৌশল।’’ পেন্টাগণের তরফে জানানো হয়েছে, এটা আসলে রাশিয়ার যুদ্ধ পরিকল্পনায় কৌশলগত পরিবর্তন। ইউক্রেনের বাকি অংশে হামলা বাড়াতেই এই পরিকল্পনা মস্কোর।
মস্কোর তালিকায় ইউরোপের বেশ কিছু দেশ রয়েছে। এমনটাই আশঙ্কা করা হচ্ছে। ইতিমধ্যেই ইউক্রেনের সাম্প্রতিকতম পরিস্থিতি নিয়ে ইউরোপের দেশগুলির সঙ্গে ইতিমধ্যেই কথা বলেছেন জো বাইডেন। তবে তুরস্কের আলোচনার পর একটি রফাসূত্রে বের হবে বলে আশা করা যায়।
কিভে সেনা তৎপরতা কমানোর সিদ্ধান্ত রাশিয়ার, কিসের ইঙ্গিত?
নেটোর সিদ্ধান্ত থেকে খানিকটা দূরত্ব রেখেই ইস্তানবুলে বহুদেশীয় নজরদার সমিতি তৈরির ব্যাপারে জোর দিচ্ছেন জেলেনস্কির দেশের প্রতিনিধিরা। অর্থাৎ আমেরিকা ও পশ্চিমী দেশগুলি যে প্রকৃত অর্থে রাশিয়ার বিরুদ্ধে ইউক্রেনের সঙ্গে হাতে হাত মিলিয়ে ময়দানে নামবে না, সে ব্যাপারে কার্যত নিশ্চিত হয়েছে কিভ।







