আবারও ‘সে’ ফিরছে—তবে বেশিদিনের জন্য নয়। কয়েক দিনের বিরতিতেই পশ্চিমবঙ্গে শীতের প্রত্যাবর্তন। আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, আগামী তিন দিনে উত্তরবঙ্গ ও দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে রাতের তাপমাত্রা ২ থেকে ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত কমতে পারে। এরপর তাপমাত্রা স্থিতিশীল হবে। অর্থাৎ, জানুয়ারির মতো হাড়কাঁপানো শীত নয়—কিন্তু সন্ধ্যা থেকে ভোর পর্যন্ত হালকা ঠান্ডা অনুভূত হবে।
কখন বেশি ঠান্ডা লাগবে?
আবহবিদদের মতে, পশ্চিমী ঝঞ্ঝার জেরে যে মেঘ ঢুকেছে, তা কাটলেই রাজ্যে জোরালো হবে উত্তুরে হাওয়া। সেই হাওয়ার দাপটেই রাতের পারদ নামবে। তবে দিনের বেলায় শীতের প্রভাব খুব একটা থাকবে না। সন্ধ্যা নামার পর থেকে ভোর পর্যন্তই শীতের অনুভূতি স্পষ্ট হবে।


আবহাওয়া কি শুষ্ক থাকবে?
হ্যাঁ। আগামী ১০ ফেব্রুয়ারি (মঙ্গলবার) পর্যন্ত উত্তরবঙ্গের সব জেলা—দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার, উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুর, মালদা—এবং দক্ষিণবঙ্গের সব জেলা—কলকাতা, হুগলি, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ ও নদিয়ায় আবহাওয়া শুষ্ক থাকবে।
কোথায় কুয়াশার সতর্কতা?
আগামী কয়েকদিন কুয়াশার প্রভাব পড়তে পারে উত্তরবঙ্গে। বৃহস্পতিবার থেকে মঙ্গলবার পর্যন্ত উত্তরবঙ্গের প্রতিটি জেলার এক বা দুই অংশে হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশা হতে পারে।
বিশেষ করে বৃহস্পতিবার সকালে দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি ও কোচবিহারের এক বা দুই অংশে ঘন কুয়াশার সম্ভাবনা রয়েছে—এই তিন জেলায় হলুদ সতর্কতা জারি করা হয়েছে।
দক্ষিণবঙ্গে কুয়াশার দাপট তুলনামূলক কম। বৃহস্পতিবার সকালে কেবলমাত্র দক্ষিণ ২৪ পরগনা, ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া, পশ্চিম বর্ধমান ও বীরভূম জেলার এক বা দুই অংশে হালকা কুয়াশা হতে পারে।


সব মিলিয়ে, শীত ফিরছে ঠিকই—তবে অল্প দিনের জন্য। রাতের ঠান্ডা আর সকালের কুয়াশাই হবে এই প্রত্যাবর্তনের প্রধান চিহ্ন।







